এক তরুণী মেয়ে দোকানে গেল একটা কথা বলা টিয়ে পাখি কিনতে। দোকানদার একটা পাখির খুব প্রশংসা করল, এটা নাকি সব বুঝে, নিজে থেকেই অনেক কিছু শিখে নেয়! … মেয়েটা খুশি হয়ে পাখিটাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলঃ “আচ্ছা আমাকে দেখে আমার সম্পর্কে কি মনে হয় তোমার?” পাখিটা ঠাস করে বলে বসলঃ “বেশী সুবিধার না, বাজে মাইয়া!” মেয়েতো পুরাই টাশকি খেয়ে গেল! রেগেমেগে দোকানদারকে গিয়ে অভিযোগ করল! দোকানদার পাখিটাকে ধরে এক বালতি পানিতে কয়েকটা চুবানি দিল, এরপর জিজ্ঞেস করলঃ “আর খারাপ কথা বলবি?”
পাখিটা ভালো মানুষের(!) মত মাথা নাড়ায় চাড়ায় বললোঃ “না না , আর বলব না”!
মেয়েটা খুশি হয়ে আবার পাখিটাকে জিজ্ঞেস করেলোঃ “আচ্ছা আমি যদি রাতে ঘরে একজন পুরুষ নিয়ে ঢুকি, তুমি কি মনে করবে?”
পাখিটি বললোঃ “তোমার স্বামী”
মেয়েটি বললোঃ “যদি দুজনকে নিয়ে ঢুকি?”
পাখিটি বললোঃ “তোমার স্বামী আর দেবর!”
মেয়েটি বললোঃ “যদি তিনজনকে নিয়ে ঢুকি?”
পাখিটি বললোঃ “তোমার স্বামী , দেবর আর ভাই ।”
মেয়েটি বললোঃ “যদি চারজনকে নিয়ে ঢুকি?” . . . . . .
পাখিটা দোকানদারকে চেঁচিয়ে ডাকলঃ “ঐ মিয়া বালতি নিয়া আও!! আগেই কইছিলাম এই মাইয়া সুবিধার না, বাজে মাইয়া!”
Sabiha Binte Mostafa
Kommentar löschen
Diesen Kommentar wirklich löschen ?