বাসচালক সিরাজুল, কন্ডাক্টর ইয়াসিন আর চালকের সহকারী ইব্রাহীম আগের দিন রাতে গাঁজা সেবন করে বাসের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েন। পরের দিন সকাল ছয়টায় সদরঘাটের ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে সুপ্রভাত পরিবহনের বাসটি নিয়ে যাত্রী পরিবহনের জন্য বের হন। পথে গুলশান থানার শাহজাদপুরে বাঁশতলায় শিক্ষার্থী সিনথিয়া সুলতানাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এ সময় বাসের চালক সিরাজকে আটক করে পুলিশ। বাসটিও সড়কের পাশে রাখা হয়। এমন সময় কন্ডাক্টর ইয়াসিন বাসের মালিক ননী গোপালকে ফোন দেন। বাস নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন গোপাল। তখন ইয়াসিন বাস নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় নর্দ্দায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরীকে চাপা দেন। শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে ঢাকার আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আবরারকে বাস চাপা দিয়ে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ননী গোপাল ও ইয়াসিনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে গতকাল বুধবার। দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩০৪ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, বাসের মালিক ননী গোপালের চারটি বাস আছে। সুপ্রভাত পরিবহনের যে বাসটি সিনথিয়া ও আবরারকে চাপা দেয়, সেই বাসের সদরঘাট-গাজীপুর রুটে চলার কোনো অনুমোদন ছিল না। সুপ্রভাত বাস রুটের সভাপতি আলাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ। এই দুজনের সম্মতি নিয়ে ননী গোপাল তাঁর বাসটি সদরঘাট-গাজীপুর রুটে অবৈধভাবে চালাতেন। এজন্য সভাপতি–সাধারণ সম্পাদক এই দুজনকে প্রতিদিন দিতেন ১ হাজার ৩০ টাকা।
Md jibon chowdhury
حذف التعليق
هل أنت متاكد من حذف هذا التعليق ؟