বলতে চাইনাই,
তবে বাধ্যহলাম।
চলছে মহামারী। চারদিকটা কেমন যেন নিস্তব্ধ ও অন্ধকার।পরিচিত মানুষগুলো ও যেন অপরিচিত।
এই রমজান মাস হলো রহমত,বরকত,ও নাজাতের মাস। আল্লাহর তায়ালার কাছে চাওয়ার মতো চাইলে এই মাসে কি না পাওয়া যাবে?

প্রতিটা দিনের ন্যায় এই রমজান মাসেও আমি ১২ঘন্টা কাজ করি। যদিও কম্পানির রুল'স ০৬ঘন্টা। কিন্তু আমি সিকুরেটি বলেই বাকি ৬ঘন্টা ওভার টাইম কাজ করতে হয়। আলহামদুলিল্লাহ, যতো কষ্টই হোক, আমি রোজা ভাঙ্গার জন্য কোনো চিন্তাও করিনাহ। কষ্ট হলেও আল্লাহর জন্য সেটা সয়ে নেই। আল্লাহ যাতে রাজী খুশি হোন সেই কামনাই করি।

আরব দেশগুলোতে চলছে উত্তপ্ত গরম ও গরম হাওয়া।
যারা বাহিরে কাজ করে তারা বুঝে গরম কী জিনিস?
প্রতিটাদিন যেন তাপ বৃদ্ধি'ই পাচ্ছে।
শত কষ্টের মাঝেও আল্লাহর সন্তুষ্টি রক্ষার্থে প্রতিটা মুসলমান রোজা রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করতে নিজ চোখেও দেখেছি। নিজের অভিজ্ঞতা তো আছেই।

যেখানে এই মহামারীর সময় আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আল্লাহর ইবাদত, তওবা ইত্যাদি বেশি বেশি প্রয়োজন সেখানে মাও:মিজানুর রহমান আযহারী সাহেব কীভাবে এমন ফতোয়া দেন জানিনা,যে রিক্সা চালক,দিনমুজুর, চৈত্র মাসের রৌদ্রের মুজুর,স্ট্রীল,কন্সটেলেশন,আরো ইত্যাদি কাজের আন্ডারে আওতাবদ্ধ মানুষেরা রোজা না রাখলেও হবে। এতে কোনো সমস্যা নাই।
জানিনা কীভাবে এই ফতোয়া দেওয়া হয় বা দেওয়া যায়।

অথচ রাসূলুল্লাহ সা: সামান্য খেজুর খেয়ে নিজে ও সাহাবীরাও রোজা রেখেছেন। রাসূলুল্লাহ সা: এর সামনেও অনেক হাসাবী সামান্য খেয়ে কঠোর পরিশ্রম করে রোজা রেখেছে।আমাদের জিন্দেগী থ্রকে তাদের জিন্দেগী কতোটা স্বচ্ছল ছিল তা আপনাদের ই জানার কথা। অথচ রাসূলুল্লাহ সা: অই অবস্থাতে তো এমন কিছুই কোনো সাহাবীকে বলে নাই। এমন কোনো ঘটনা কুরান বা হাদিসেও আছে কি না জানা নাই।

তবে আযহারী সাহেব যদি বলতেন,১১ মাস কাজ করো,১ মাসের জন্য যেভাবেই হোক পয়সা জমা করো,যাতে রোজার সময় ব্যায় করে খেতে পারো,তাহলে কতোই জা ভালো হতো? নাহ তিনি সোজা ফতোয়া দিলেন,রোজা না রাখলে কোনো সমস্যা নাই।
এই ফতোয়া উম্মতকে আমলের দিকে নিবে নাকি আমল থেকে ফারেগ করবে?
এখন আমিও তো এটোটা দিন আল্লাহর ভয়ে বা আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে লক্ষ্য রেখে ১২ঘন্টা এই প্রবাসে কাজ করার পরেও আমি যেভাবেই হোক রোজা রাখতেছি। কবুল করার মালিক আল্লাহ।
এখন উনার ফতোয়ার কারণে আজ থেকে আমিও রোজা না রাখি। কেননা আমিও অনেক কষ্ট করেই রাখি,আর প্রতিদিন কাজ ও করি।

এছারা তিনি কি বললেন,
এই রোজা ছারার কারণে যেন পরে আবার রেখে দেওয়া হয়। চিন্তা করুন,কেন আজ রিক্সা চালানোর কারণে রোজা না রাখার জন্য ফতোয়া দেওয়া হলো, পরে কি হেলিকাপ্টার চালাবে যে তখন রোজা রাখতে পারবে।
আসলে মৌদুদী জামাত মার্কা কোনো আলেম থেকেই উম্মাহ ভালো কিছুই পায়নাই অতিতে ও বর্তমানে।

আসুন এসব ফতোয়া সহ এমন বক্তাদের পরিহার করি ও অতিতের ন্যায় আমল করি।
তারাবীহ নামাজ ২০ রাকাত পড়ি,সুন্নতে মোয়াক্কাদা ভেবেই পড়ি। আর কষ্ট হলেও রোজা না ছারি।
আল্লাহ নিজেই বলেছেন,এর প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন।অথচ কিছু মানুষ এমন আমল থেকে আমাদেরকে দূরে নিতে যেন আপ্রাণ চেষ্টা করতেছে।
দু'দিন পর পর নতুন নতুন ফেৎনা সেই মালোশিয়া থেকে সাপ্লাই করতেছে। বড়ই আফসোস।
এদিকে অন্ধভক্তরা গালাগালি ছাড়া কিছুই করতে পারছেনা। আহ আফসোস। আল্লাহ উত্তম ফয়সালাকারী।

পরিশেষে একটাই কথা,
ইমানের চেয়ে জীবনটা দামী নয়।
বরং জীবনের চেয়ে ইমানটাই বেশি

image

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন