বৃহঃস্পতিবার মাগরিবের পর জুম্মা শুরু হয়ে যায়,,সূরা কাহাফ অবশ্যই পড়বেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভয় পেয়েছেন দাজ্জালের ফেতনাকে...তাই সুরা কাহাফ পড়তে ভুলবেন না।
🌼যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে হেফাজত থাকবে। (সহীহ্ মুসলিমঃ৮০৯)
🌸যে ব্যক্তি জুম্মার দিন সূরা কাহাফ পড়বে তার জন্য এক জুম্মা থেকে আরেক জুম্মা পর্যন্ত আলো বিচ্ছুরিত হতে থাকবে৷ সুবহানাল্লাহ্! (মুসতাদারেক হাকিমঃ২/৩৯৯)
🌼তার পা থেকে আসমান পর্যন্ত এবং মক্কা পর্যন্ত নূর হয়ে যাবে।সেই সাথে বিগত জুম্মা থেকে এই পর্যন্ত সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। আলহামদুলিল্লাহ্ (আত তারগীব ওয়া তারহীবঃ ১/২৯৮)
সুবহানাল্লাহ্! এত এত বিশেষ ফজিলত সূরা কাহাফে।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন , যদি তিনি আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় দাজ্জাল আসে তবে তিনিই সর্বপ্রথম তার প্রতিরোধ করবেন।আর যদি তিনি না থাকা অবস্থায় আসে,তবে দাজ্জালকে দেখা মাত্রই উম্মতদেরকে সূরা কাহাফের শুরুর অংশগুলো পড়তে বলেছেন। দাজ্জাল হবে কোঁকড়া চুলবিশিষ্ট যুবক এবং চোখ কানা৷ (সহিহ মুসলিমঃ২৯৩৭,তিরমিজিঃ২২৪১)
আরবি দিনগুলো সূর্যাস্তের পরে শুরু হয়।জুম্মা হয় বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকে শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত। সূরা কাহাফ এর মধ্যে চেষ্টা করলে অনেকবার পড়তে পারবো ইনশাআল্লাহ্..
আসুন, সূরা কাহাফ পড়ি এবং দাজ্জালের ফেতনার প্রতিরোধ করি ইনশাআল্লাহ ..🍂
Md Zayid
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Mohammad Arafat
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Md Arif Islam
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Mohammad Arafat
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Mohammad Arafat
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Md Arif Islam
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Monihari
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?