ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা ঃ ‘করোনা ভাইরাসের বিশেষ কোনও চিকিৎসা নেই। মূলত এর জন্য লক্ষণ-উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অথবা সাপোর্টিভ চিকিৎসা দেওয়া হয়। করোনা ভাইরাসের যেহেতু কোনও প্রতিষেধক নেই তাই জীবনচরণগুলো যদি সঠিকভাবে মেনে চলি, সেক্ষেত্রে একজন আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে একজন সুস্থ মানুষের রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।’ তিনি আরও বলেন , ‘এই সময়ে হ্যান্ড সেক, কোলাকুলি পরিহার করতে পারি। যেগুলোয় মানুষকে এক মিটারের মধ্যে নিয়ে আসে, সেই বিষয়গুলোয় যদি এক মিটারের মধ্যে আসাটা থেকে বিরত থাকতে পারি, সেক্ষেত্রেও কিন্তু করোনা ছড়িয়ে পড়াটাকে প্রতিরোধ করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় রুমাল, টিস্যু ব্যবহার করতে হবে। আর হাতের কাছে যদি কিছুই না পাওয়া যায়, তাহলে মুখের কাছে হাত এনে কনুইয়ের ওপরিভাগে মুখ ঢেকে কাশি দিতে হবে। যেন কোনোভাবেই সেটা বাতাসে না ছড়াতে পারে।একইসঙ্গে, ঘন ঘন সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে, অন্তত ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে। অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা যাবে না। ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।’

image

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন