করোনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম: অতি জরুরী কিছু তথ্য
-দেওয়ান মাহমুদ

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে রোগের লক্ষণ অনেকদিন পর্যন্ত সুপ্ত থাকে, অর্থাৎ আক্রান্ত হলেও বা ভাইরাস বহন করলেও লক্ষণ বোঝা যায় না। কিন্তু এর মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তি একটু একটু করে, নিজের অজান্তেই, পরিবারের, কর্মস্থলের এবং পার্শ্ববর্তী সকলের মাঝে এ ভাইরাস ছড়াতে থাকেন। এমনকি আক্রান্ত হবার ২৮ দিন পর্যন্ত এ ভাইরাসের কোনো লক্ষণ বোঝা নাও যেতে পারে। যখন লক্ষণ সুস্পষ্ট হবে, তখনই তার প্রচন্ড জ্বর, ব্যাপক হাঁচি-কাশি-সর্দি দেখা দেবে, ততক্ষণে ৫০% ক্ষতি হয়ে গেছে, ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গেছে। তাই এতোটা মারাত্মক ভাইরাস এটি, যা দ্রুত গতিতে পৃথিবীর সব দেশেই ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু আক্রান্তরা অনেকেই বুঝতেই পারছেন না যে তারাই ভাইরাস বহন করছেন।

তাহলে উপায়? মারাত্মক আকার ধারণ করার আগে কিংবা ব্যাপক জ্বর হবার আগে মানবদেহে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব বোঝার কি কোনই পথ নেই? উত্তর হলো - আছে, একটি উপায় আছে। দৈনিক একটি ছোট্ট, স্বনিয়ন্ত্রিত টেস্টের মাধ্যমে শরীরে এর উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তাইওয়ানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তাইওয়ান বিশেষজ্ঞরা একটি সাধারণ স্ব-চেক প্রদান করেছেন যা আমরা করতে পারি এইভাবে -

প্রতিদিন সকালে বাড়ির বারান্দায়, খোলা জানালায় বা উন্মুক্ত স্থানে যেমন বাগানে গিয়ে দীর্ঘ নিঃশ্বাস (deep breath) নিন এবং ১০ সেকেন্ডেরও বেশি সময় ধরে আপনার শ্বাস ধরে রাখুন। এই ১০ সেকেন্ডের নিঃশ্বাস ধরে রাখার সময় যদি আপনি এটি কাশি, অস্বস্তি, বা শক্ত চাপ বা ইত্যাদি ছাড়াই সফলভাবে সম্পন্ন করেন তবে এটি প্রমাণ করে যে ফুসফুসে কোনও ফাইব্রোসিস নেই অর্থাৎ, মূলতঃ কোনও সংক্রমণ নেই।

পরিষ্কার সকালের বিশুদ্ধ বাতাসের পরিবেশে প্রতিদিন সকালে এই স্ব-পরীক্ষা করুন! নিশ্বাস ১০ সেকেন্ড ধরে রাখতে কোনো অস্বাভাবিকতা হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

করোনা ভাইরাস তথা COVID-19 এর ক্ষেত্রে চিকিত্সা করা জাপানি চিকিৎসকরা খুবই জরুরী কিছু পরামর্শ বা এক্সক্লুসিভ অ্যাডভাইস দিয়েছেন যেটি মেনে চললে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম বলে তাঁরা মনে করছেন। সকলের সুবিধার জন্য জাপানি চিকিৎসকদের পরামর্শিত এই পন্থাটি শেয়ার করছিঃ

প্রত্যেকেরই নিজের মুখ এবং গলা কখনোই শুকনা রাখবেন না। সব সময় নিশ্চিত করুন যে গলা এবং মুখ যেন আর্দ্র থাকে, তথা পানি পানি থাকে, ভেজা থাকে। কখনোই মুখ এবং গলা শুকনো তথা পানিশূন্য বা ডি-হাইড্রেটেড থাকতে দেওয়া যাবে না। এটি নিশ্চিত করতে হবে যে, মুখ এবং গলা যেনো কোনভাবেই শুকনা না থাকে। তাই অন্তত প্রতি মিনিটেই সম্ভব হলে দুই-এক চুমুক করে পানি পান করুন।

প্রশ্ন করবেন - কেন?

জাপানী চিকিৎসকদের জানানো উত্তরটি খুবই জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ। যদি করোনা ভাইরাস আপনার মুখে প্রবেশ করে, পানি বা জল বা অন্যান্য তরল পান করার ফলে ঐ পানি আপনার এ্যাসফ্যাগাসের মাধ্যমে পাকস্থলীতে গিয়ে তা ধুয়ে ফেলবে। মানুষের পেটের তথা পাকস্থলীর ভেতরে অবস্থিত ACID গুলি সমস্ত ভাইরাসকে মেরে ফেলবে। ফলে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের সম্ভাবনা থাকবে না।

আর আপনি যদি নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান না করেন, তাহলে ভাইরাসটি আপনার উইন্ডো-পাইপগুলিতে তথা শ্বাসনালীতে প্রবেশ করতে পারে এবং LUNGS এ প্রবেশ করতে পারে।
এটা খুব বিপজ্জনক।

তাই করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে সকলেই বারংবার পানি পান করুন এবং জিব্বা পুরো মুখগহ্বর ভেজা থাকার সুযোগ রাখুন, সবসময়।
পরিবার, বন্ধু এবং সহকর্মীদের সকলের সাথে এই বার্তা গুলো শেয়ার করুন।

সবাই নিজের ও পরিবারের যত্ন নিন এবং নিজও নিজও ধর্মমত অনুযায়ী মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন যেন শিগগিরি পৃথিবী করোনার ভাইরাসের ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত হতে পারে।

মহাপ্রভুর কাছে কায়মনোবাক্যে আজ সকলেরই এই প্রার্থনা ,একটাই দোয়া, হে দয়াময়, হে মহাপ্রভু সর্বশক্তিমান - অধম, অসহায় মানুষসহ এ ধরনীতে তোমার সৃষ্ট সকল প্রাণীকে, সকল উদ্ভিদকে ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাসসহ সর্বপ্রকার রোগ-ব্যাধি বালা-মুসিবত থেকে মুক্ত রাখো, দয়াময়। যারা ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে রক্ষা করো মহাপ্রভু, আমাদের তুমি ক্ষমা করো আল্লাহ, বিপন্ন মানবতা কে তুমি রক্ষা করো, হে আল্লাহ।

আমিন।

সংগৃহীত

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন