মা ও ছেলে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে পড়ছেন দুই বছর ধরে। মা বললেন, ‘বাসা ফেনী শহরেই। আমরা মা-ছেলে প্রায়ই একসঙ্গে ভার্সিটিতে যাওয়া-আসা করি। এ নিয়ে আমার মধ্যে কখনো অস্বস্তি লাগে না। বরং আমার কাছে স্বস্তির বিষয় হলো যে আমি ওকে নিয়ে যাচ্ছি। চোখে চোখে রাখতে পারছি। সে যাতে ঠিকভাবে নিজের পড়ালেখা শেষ করতে পারে, সেই দোয়াই করছি। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসে দেখা যায় অনেক ছেলে বখে যায়। কিন্তু আমার ছেলের এমনটা হওয়ার সুযোগ নেই।’
ছেলে আবদুল্লাহ আহসান এরই মধ্যে বাণিজ্য অনুষদের তৃতীয় সেমিস্টারে পড়ছেন। মায়ের পড়ার প্রতি আন্তরিকতা মুগ্ধ করে আহসানকে। অনুপ্রাণিত হন তিনি। তিনি বলেন, ‘আম্মু সব সময় আমাদের দিকে খেয়াল রাখেন। এত বড় হয়েছি তারপরও মায়ের যত্ন–আত্তি এতটুকু কমেনি। আশা করছি জীবনে ভালো কিছু করতে পারব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি অনার্সের শেষ বর্ষে আছেন হুরে জান্নাত। একটি পরীক্ষা আর ভাইভা দিলেই শেষ, পেয়ে যাবেন স্নাতক ডিগ্রি। কিন্তু নিজের সন্তানের বয়সী সহপাঠীদের সঙ্গে কেমন কেটেছে চার বছর—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখানে আমি বেশ কিছু ভালো বন্ধু পেয়েছি। কখনো অস্বস্তি বোধ করিনি। তারা আমার ছোট, সেটা মনে হয়নি। বরং সবার থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। শিক্ষকেরাও অনেক আন্তরিক।’ এখন অনলাইন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। ভবিষ্যতে তিনি নিজেকে ভালো আইনজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান।
Sakib Hasan
Удалить комментарий
Вы уверены, что хотите удалить этот комментарий?
shamim iqbal
Удалить комментарий
Вы уверены, что хотите удалить этот комментарий?
Kabir Bakul
Удалить комментарий
Вы уверены, что хотите удалить этот комментарий?