প্রশাসনকে, বিশেষ করে ঢাকার বাইরের প্রশাসনকে স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার অনুরোধ জানান এই পরিচালক। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহ হলে স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে, পরামর্শ করে ওই ব্যক্তির মধ্যে লক্ষণ আছে কি না, যাচাই করে তাঁকে পৃথক রাখা দরকার কি না, কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হবে কি না—সেসব সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য বিভাগ দেবে।
স্থানীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্য বিভাগ আইইডিসিআরের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানান মীরজাদী সেব্রিনা। করোনা–সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে ধরতে হবে। কারণ, এ ধরনের রোগের নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম স্বাস্থ্য বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী না হলে সমন্বিত কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটবে।
আইইডিসিআর পরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইইডিসিআরের হটলাইনে ১১২টি কল এসেছে, এর মধ্যে করোনা–সম্পর্কিত ৭৮টি। এ সময়ে ৬ জন সরাসরি এসে নমুনা দিয়েছেন। এ পর্যন্ত ৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, তার মধ্যে কারও করোনা শনাক্ত হয়নি। অর্থাৎ বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া যায়নি।
সিঙ্গাপুরে যে পাঁচজন বাঙালি আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা একই জায়গায় নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এই পাঁচজন ছাড়া বাংলাদেশ থেকে যাঁরা দেশের বাইরে ঘুরতে গেছেন বা কাজ করছেন, কোথাও তাঁদের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তারপরও অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে চীন ও সিঙ্গাপুর থেকে যাঁরা ফিরছেন, নিজ দায়িত্বে নিজ বাসায় ‘হোম কোয়ারেন্টাইন’ থাকবেন। প্রয়োজন না হলে বাসার বাইরে কম যাবেন, জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলবেন। মাস্ক ব্যবহার করবেন, সাবান দিয়ে বারবার হাত ধোবেন। তবেই তাঁদের থেকে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকবে না।
Kabir Bakul
Удалить комментарий
Вы уверены, что хотите удалить этот комментарий?