সাধারণত জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বেশি থাকে। কেননা, সেখানে কাউন্সিলর প্রার্থীরা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে ভূমিকা রাখেন।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিকে সম্পাদক এস এম কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ভোটার কমের ব্যাপারে দলের মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ভূমিকা থাকে। মূলত, কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাঁদের কর্মীরা ভোটার আনেন। তাঁরা সেই কাজ পুরোপুরি করতে পারেননি। তা ছাড়া রাজনীতিবিদেরা বিভিন্ন সময় ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়া, কেন্দ্রের বাইরে লোক রাখাসহ বিভিন্ন কথা বলেছেন। এতে একধরনের ভীতি ভোটারদের মধ্যে ছিল। পাশাপাশি ঢাকা মূলত ভাড়াটেদের শহর। অনেকে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলে যান, বন্ধের কারণে ঢাকা ছেড়েছেন, এমনটাও আছে। তা ছাড়া যানবাহন চলে না। সেটাও ভোটার কম হওয়ার কারণ।
যাঁরা নির্বাচন নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের মতে, মোট ভোটারের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আওয়ামী লীগের ভোটার। এই পরিমাণ ভোট আওয়ামী লীগ সব সময়ই পেয়ে থাকে। সেই হিসেবে রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ভোটার ন্যূনতম ১৯ লাখ। সেখানে এবার আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থী মিলিতভাবে এর অর্ধেকের চেয়ে কম ভোট পেয়েছেন।
Rasadul Islam
supprimer les commentaires
Etes-vous sûr que vous voulez supprimer ce commentaire ?
Amir Hamza
supprimer les commentaires
Etes-vous sûr que vous voulez supprimer ce commentaire ?
shamim iqbal
supprimer les commentaires
Etes-vous sûr que vous voulez supprimer ce commentaire ?
Mohammed Minhar
supprimer les commentaires
Etes-vous sûr que vous voulez supprimer ce commentaire ?