ভারতের ওই নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী মুসলিম প্রধান দেশগুলোর নিপীড়িত অমুসলিমরা চাইলে ভারতে নাগরিক হওয়ার আবেদন করতে পারবেন৷ তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে৷ কিন্তু মুসলমানদের বেলায় উল্টো ভারত থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।
খবরে বলা হয়েছে, আইনটি পাস হওয়ার পর তীব্র বিতর্ক শুরু হয়৷ বিভিন্ন অ-বিজেপি রাজ্য সরকার এর বিরোধিতা করেছে৷ চলছে টানা প্রতিবাদ৷ সিএএ আইনের পরিপ্রেক্ষিতে কূটনৈতিকভাবে জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার৷ প্রথমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের সফর বাতিল করেন৷
আইনটি নিয়ে মুখ খুলেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২০ জানুয়ারি দুবাই থেকে গালফ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভারতে সিএএ আইনের প্রয়োজন ছিল না৷ তবে এটিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এসবের মধ্যেই মোদির ঢাকা সফরে তৈরি হচ্ছে কূটনৈতিক গরম হাওয়ার পরিবেশ৷ আওয়ামী লীগ কেন মোদিকে আমন্ত্রণ জানালো এই প্রশ্ন তুলছে বিরোধী দলগুলো৷ সেইসঙ্গে সরব হয়েছেন বিভিন্ন বুদ্ধিজীবী৷
Shakil adnan
Удалить комментарий
Вы уверены, что хотите удалить этот комментарий?
MD Alamin
Удалить комментарий
Вы уверены, что хотите удалить этот комментарий?
Monihari
Удалить комментарий
Вы уверены, что хотите удалить этот комментарий?