২১ তারিখ,চক বাজারের অগ্নিকান্ডে মারা যাওয়া রিয়া ও রিফাত কে নিয়ে এখন পর্যন্ত কম করে হলেও ৫০ টা গল্প পড়েছি।এটা নিয়ে অনেকেই অনেক রকম ভাবে মনগড়া গল্প লিখে যাচ্ছে।লেখকদের মতে, রিযা রিফাতকে নাকি আগুন লাগার পর চলে যেতে বলছে আর রিফাত রিয়াকে একা রেখে যেতে চাইছে না,,সত্যিই কি রিফাত রিয়াকে ছেড়ে যেতে চাইছিলো না.. নাকি আগুন তাকে তিন তলা থেকে নেমে যাওয়ার কোনো সুযোগ ই দেয়নি,যদি রিফাত সেই সুযোগ পেতো তাহলে অবশ্যই এইভাবে স্ত্রী ও তার ভবিষ্যত সন্তানকে নিয়ে পুড়ে মরতো না,, যত কষ্টই হোক নিচে নামতে পারতো। লেখকদের গল্প গুলো পড়লে মনে হয় আগুন লাগার সময় ওনারা রিয়া আর রিফাতের সঙ্গে ছিল,এমন কি ওদের মাজে কি কথা হয়ছিলো তা শুনেছে... আজব।আপনারা যে দুজন মৃত মানুষকে নিয়ে এতো আবেগি কথা লিখছেন বাস্তবে এ গুলোর কোনো মানেই হয়না।আগুন লাগার পরে এমনও তো হতে পারে তিন তলা থেকে নামার ১ মিনিটও সময় ছিলো না রিয়া রিফাতের কাছে,সময় পেলে রিফাত কি পারতো না রিয়াকে কোলে করে তিন তলা থেকে নেমে পড়তো।ভালবাসার মানুষের সাথে সুখে আছে, সন্তান পৃথিবীতে আসতে যাচ্ছে,এমন সময় কোন রকম লড়াই না করে কে মরতে চায়,লড়াই কেন.. আগুন হাত থেকে বাঁচার মত কোন সুযোগ পাননি এই দম্পতিসহ আরো অনেক গুলো প্রাণ।
অথচ এটা নিয়ে পুরো দেশ জুড়ে এখন পর্যন্ত কতো গল্প লেখা শেষ,,মৃত্যুর সময় নাকি রিয়া নামতে পারেনি বলে রিফাতও নামেনি,ঘঠনা তো তার উল্টোও হতে পারে।কেন এইসব গল্প লিখছেন ? মানুষের সিমপেথি পাওয়ার জন্য।
রিয়া রিফাতের মৃত্যুর সময় কি কথোপকথোন হয়েছিলো এগুলো না লিখে তাদের জন্য.. তাদের অনাগত সন্তানের জন্য.. এবং যারা যারা ওই ভবনে অকালে প্রাণ দিয়েছেন সবার আত্নার জন্য দোয়া করেন,তাদের প্রত্যেকের খুব কষ্টের মরন হয়েছে,আল্লাহ যেন সবাইকে বেহেশত নসীব করেন।
২১ তারিখ,চক বাজারের অগ্নিকান্ডে মারা যাওয়া রিয়া ও রিফাত কে নিয়ে এখন পর্যন্ত কম করে হলেও ৫০ টা গল্প পড়েছি।এটা নিয়ে অনেকেই অনেক রকম ভাবে মনগড়া গল্প লিখে যাচ্ছে।লেখকদের মতে, রিযা রিফাতকে নাকি আগুন লাগার পর চলে যেতে বলছে আর রিফাত রিয়াকে একা রেখে যেতে চাইছে না,,সত্যিই কি রিফাত রিয়াকে ছেড়ে যেতে চাইছিলো না.. নাকি আগুন তাকে তিন তলা থেকে নেমে যাওয়ার কোনো সুযোগ ই দেয়নি,যদি রিফাত সেই সুযোগ পেতো তাহলে অবশ্যই এইভাবে স্ত্রী ও তার ভবিষ্যত সন্তানকে নিয়ে পুড়ে মরতো না,, যত কষ্টই হোক নিচে নামতে পারতো। লেখকদের গল্প গুলো পড়লে মনে হয় আগুন লাগার সময় ওনারা রিয়া আর রিফাতের সঙ্গে ছিল,এমন কি ওদের মাজে কি কথা হয়ছিলো তা শুনেছে... আজব।আপনারা যে দুজন মৃত মানুষকে নিয়ে এতো আবেগি কথা লিখছেন বাস্তবে এ গুলোর কোনো মানেই হয়না।আগুন লাগার পরে এমনও তো হতে পারে তিন তলা থেকে নামার ১ মিনিটও সময় ছিলো না রিয়া রিফাতের কাছে,সময় পেলে রিফাত কি পারতো না রিয়াকে কোলে করে তিন তলা থেকে নেমে পড়তো।ভালবাসার মানুষের সাথে সুখে আছে, সন্তান পৃথিবীতে আসতে যাচ্ছে,এমন সময় কোন রকম লড়াই না করে কে মরতে চায়,লড়াই কেন.. আগুন হাত থেকে বাঁচার মত কোন সুযোগ পাননি এই দম্পতিসহ আরো অনেক গুলো প্রাণ।
অথচ এটা নিয়ে পুরো দেশ জুড়ে এখন পর্যন্ত কতো গল্প লেখা শেষ,,মৃত্যুর সময় নাকি রিয়া নামতে পারেনি বলে রিফাতও নামেনি,ঘঠনা তো তার উল্টোও হতে পারে।কেন এইসব গল্প লিখছেন ? মানুষের সিমপেথি পাওয়ার জন্য।
রিয়া রিফাতের মৃত্যুর সময় কি কথোপকথোন হয়েছিলো এগুলো না লিখে তাদের জন্য.. তাদের অনাগত সন্তানের জন্য.. এবং যারা যারা ওই ভবনে অকালে প্রাণ দিয়েছেন সবার আত্নার জন্য দোয়া করেন,তাদের প্রত্যেকের খুব কষ্টের মরন হয়েছে,আল্লাহ যেন সবাইকে বেহেশত নসীব করেন।
MD Zahidul Islam
Kommentar löschen
Diesen Kommentar wirklich löschen ?
Md. Sabbir Ahmed
Kommentar löschen
Diesen Kommentar wirklich löschen ?
MD Shamim Khan
Kommentar löschen
Diesen Kommentar wirklich löschen ?