একটা জিনিস যা আমাদের মানুষদের অন্যান্য প্রাণিদের থেকে আলাদা করে। তা হলো আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা। আর আমাদের এই চিন্তা দুই ধরনের হয়। যার মধ্যে রয়েছে ভাল চিন্তা ও খারাপ চিন্তা। আজকাল ভাল চিন্তা স্বভাবের মানুষ খুব কমই দেখা যায়।
যারা খারাপ চিন্তায় মগ্ন থাকে তারা সব সময় মানুষের কিভাবে ক্ষতি করা যায় সেটি নিয়ে ব্যস্ত থাকে৷ কেউ নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য মানুষের ক্ষতি করে। আবার কেও নিঃস্বার্থভাবেও মানুষের ক্ষতি করে থাকে। যে ব্যক্তি নিজ স্বার্থে মানুষের সাথে পর্যায়ক্রমে খারাপ আচরণ করতেই থাকে, কোন এক সময় এটা তার অভ্যাসে পরিণত হয়।
অতঃপর সে অভ্যাসের দাস হয়ে নিজের অজান্তেই খারাপ চিন্তাভাবনা করতে থাকে এবং অযথাই মানুষের ক্ষতি করার নতুন কৌশল আবিস্কার করে। এক পর্যায়ে এটাকে তার দৈনন্দিন জীবনের একটা রুটিন বানিয়ে ফেলে।
এ প্রসংজ্ঞে প্রাচীন ভারতীয় চিন্তাবিদ 'চাণক্য' তার চাণক্যনীতী তে বলেন। যদি আমাদের সামনে একজন দুষ্ট ব্যক্তি এবং একটি সাপ থাকে, তাহলে আমাদের সেই সাপটির কাছেই যেতে হবে, কারণ সেই সাপ শুধু তার নিজের আত্নরক্ষার জন্য দংশন করে। কিন্তু সেই দুষ্ট ব্যক্তি যেকোনো সময় সুযোগ পেলে আমাদের ক্ষতি করবে, তারা সেই সুযোগের আশাতেই বসে থাকে।
অতএব, নতুন বন্ধুত্ব বা নতুন সম্পর্ক করার সময় এই ধরনের লোকদের এরিয়ে চলা উচিৎ। কারণ তারা সেই সমস্ত দুপায়ে ভর করে থাকা পশু, যারা তাদের নিচু মনোভাব ও আচরণ দিয়ে আমাদের মনে আঘাত করে।
'চাণক্য' আরও বলেছেন " খারাপ লোক এবং কাটা থেকে বাঁচার দুটো উপায় রয়েছে, হয়তো তাদের পায়ের নিচে কুচলে দাও, নাহলে তাদের থেকে দূরে থাকো।
এই কথাটি দ্বারা 'চাণক্য' খারাপ লোক এবং কাটার মধ্যে তুলনা করেছেন। কাটা আর খারাপ লোকের ধর্ম একই। কাটা যেমন আমাদের পায়ে বিধে সামনে চলতে বাধা দেয়, খারাপ মানুষও ঠিক তেমনি আমাদের সামনে চলতে বাধা প্রধান করে। তাই আমাদের সকলের উচিৎ তাদেরকে হিংসা না করে তাদের থেকে দূরে থাকা।

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন