আমার ভোট আমি দেব
যাকে খুশি তাকে দিব।
এই স্লোগানটা কোন মুসলমানের স্লোগান হতে পারে না। আল্লাহপাক আপনাকে এই অধিকার দেয় নাই।
মুসলমানের স্লোগান হবে,, আমার ভোট আমি দিব, ইমানদার ও যোগ্যতা দেখে ভোট দিব।
কোন লোক যদি ইমানদার থাকে কিন্তু যোগ্যতা না থাকে তাকে ভোট দেওয়া যাবে না। প্রক্ষান্তরে কোন লোকের মধ্যে যদি যোগ্যতা থাকে কিন্তু ইমানদার নয় তাকেও ভোট দেওয়া যাবে না ।
কিন্তু ইমানদারের মধ্যে যদি যোগ্যতা কম থাকে তাহলে তাকে ভোট দেওয়া যাবে। তার দ্বারা কাজ কম হলেও আমানতের খেয়ানত হবে না।
কারো যদি যোগ্যতা বেশি থাকে কিন্তু ইমানদারী ঠিক না থাকে, আমানতদার না থাকে তাহলে তাকে ভোট দেওয়া যাবে না। কারন তার দ্বারা রষ্ট্রের উপকার হবে না। সে খেয়ানত করে ফেলবে। এক শত টাকা বরাদ্দ থেকে সে সত্তর টাকা খেয়ে ত্রিশ টাকার কাজ করবে। কাজেই তাকে ভোট দেওয়া যাবে না।
ভোট একটা আমানত।
মোনাফিকদের আলামত হল, আমানতের খেয়ানত করা। কাজেই ভোটের আমানত হাতে পেয়ে যেন তার খেয়ানত করে মুনাফিক না হই সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
যদি খেয়াতন করি তাহলে আমার ভোটের মাধ্যেমে ক্ষমতায় যেয়ে তারা রাষ্ট্রীয় সম্পদের খেয়ানত করবে। সেই খেয়ানতের গুনাহ আমার আমলনামায় জমা হবে।
হযরত লুত আঃ এর স্ত্রী খারাপ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন না। তিনি খারাপ কাজে, অর্থাৎ পুরুষদেরকে সমকামীতে সহযোগিতা করার কারনে নবীর স্ত্রী হয়েও জাহান্নামি।
আমাদের এমন কি ঠেকা পরেছে যে, একজন খারাপ লোককে ভোট দিয়া তার খরাপ কাজের গুনাহ আমার আমলনামায় নিয়ে আসার ?
আল্লাহপাক সকলকে সৎ ও যোগ্য দেখে ভোট দেওয়ার মত হিম্মত দান করুন ?
আমিন।
Habibullah Mullah
supprimer les commentaires
Etes-vous sûr que vous voulez supprimer ce commentaire ?
Sandip Dhara
supprimer les commentaires
Etes-vous sûr que vous voulez supprimer ce commentaire ?
raihan kabir
supprimer les commentaires
Etes-vous sûr que vous voulez supprimer ce commentaire ?