Explore captivating content and diverse perspectives on our Discover page. Uncover fresh ideas and engage in meaningful conversations
Top-Quality, Buy, Verified, Airbnb ,Accounts for Sale In 2025
➤24 Hours Reply/Contact
➤Email: usaprostore1@gmail.com
➤WhatsApp: +1 (717) 303-4210
➤Telegram: Usaprostore
https://usaprostore.com/produc....t/buy-verified-airbn
Top-Quality, Buy, Verified, Cash App ,Accounts for Sale In 2025
➤24 Hours Reply/Contact
➤Email: usaprostore1@gmail.com
➤WhatsApp: +1 (717) 303-4210
➤Telegram: Usaprostore
https://usaprostore.com/produc....t/buy-verified-cash-
| ডিবি থেকে নিয়ে ৯ তরুণ খু*ন |
তখন গোধূলি নামছে। সন্ধ্যার আঁধার জমতে শুরু করেছে রাজধানীর বুকে। কিন্তু কল্যাণপুরের এক অন্ধকারাচ্ছন্ন ভবনের সামনে তৈরি হচ্ছে আরও ভয়ং-কর এক অন্ধকার অধ্যায়ের সূচনা। কয়েক ঘণ্টা পরই এই ভবনটি পরিণত হবে মৃ-ত্যুকূপে। রাষ্ট্রীয় শক্তির নির্মমতা যেন এখানে রচনা করবে এক নিষ্ঠুর কাহিনি।
অপরাধ করে কারও ফাঁ-সি হলেও স্বজনরা কখনো লা/শ নিতে অস্বীকৃতি জানান না। তবে ব্যতিক্রম ছিল আট বছরের বেশি সময় আগে রাজধানীর কল্যাণপুরে জাহাজবাড়িতে তথাকথিত ‘জ*ঙ্গিবিরোধী’ অভিযান। সেই অভিযানে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিল ৯ তরুণ। তারা ডিবিতে আটক ছিলেন। সন্ধ্যা নামার আগেই আলো-আঁধারি পরিবেশে ডিবি থেকে বের করা হয় তাদের। নেওয়া হয় জাহাজবাড়িতে। পরদিন ভোরে ফজরের আজানের পরপর গু-লি করে নির্মমভাবে খু*ন করা হয়। পরিবারকে দেওয়া হয়নি লা-শ। দেওয়া হয় আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে। নিহতদের কেউ ছিলেন গার্মেন্টকর্মী, কেউ শিক্ষার্থী। তবে তাদের মধ্যে সাতজনই ছিলেন দরিদ্র পরিবারের সন্তান।
সেই লোমহর্ষক ঘটনা অনুসন্ধান করে এক নির্মম চিত্র পাওয়া গেছে। এই তরুণরা কি জ*ঙ্গি ছিলেন না জ*ঙ্গি সাজানো হয়েছে? আরও আগে তাদের কেন গ্রেপ্তার করা হলো না, খুন করে লাশ কেন পরিবারকে দেওয়া হয়নি, পুলিশের সাজানো বন্দুকযুদ্ধ ইত্যাদি বিষয় আমার দেশের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
‘জাহাজবাড়ি’ হিসেবে পরিচিত তাজ মঞ্জিলে পুলিশের ‘অভিযান’ চালানো হয় ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই। এসব তরুণকে হ*ত্যার পর বরাবরের মতোই পুলিশের দাবি ছিল— ‘দরজা নক করলে … গু/লি ও গ্রে-নেড ছুড়তে থাকে... আত্মরক্ষার্থে ...।’
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে জ*ঙ্গিবিরোধী অভিযানের নামে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে তরুণদের হ/ত্যা করা হয়েছে। এসব তরুণ ছিল ডিবির হেফাজতে। সেখান থেকে তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে হ/ত্যা করা হয়। আর একে ইসলামি জ*ঙ্গিকার্ড হিসেবে ব্যবহার করেন পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার সরকার।
ডিবি থেকে তাদের তুলে নিতে দেখেছেন ব্যবসায়ী শেখ মো. সেলিম হোসাইন। তিনিও কুখ্যাত আয়নাঘরে বন্দি ছিলেন। আয়নাঘরের তথ্য তিনিই প্রথম ফাঁস করেন। জাহাজবাড়িতে নিয়ে হ/ত্যার আগে ডিবির কাছ থেকে হতভাগ্য তরুণদের তুলে নিয়ে যেতে দেখেছেন তিনি।
বই : ডার্ক ডকট্রিন - বাংলাদেশে জ*ঙ্গী-নাটকের নেপথ্যে 🔥
লেখক : আবু সুফিয়ান (আমার দেশ পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক)✨
অ-র্ডার লিংক কমেন্টে👇