বাংলাদেশ কবে জংলি মুক্ত হবে?

ছবিঃ ইন্টারনেট

ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত দেখলাম টিভিতে বলছে ইনিয়েবিনিয়ে ,এটা জংগিদের কাজ না, তামিলটাইগার আর ভারতের দিকে ইংগিত করল। অতচ এই সাখাওয়াতই হলি আর্টিজানের ঘটনায় জোরালো ভাবে আইএস আইএস করে গেছিল। উনি বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিহত (শহিদ) জংগীদের মুখে বেহেস্তি হাসি আবিষ্কার করেছিলেন।

দেশে কি জংি আছে? না নাই?

দেশে জংলী বা জংলী সমর্থক আছে না নাই বোঝা যায় BBC বাংলা পেইজে গেলে বা ইউটিউবে। জংলীদের একটা পোষ্টেই ১৫k আমিন, যত আমিন তত সোয়াব। 


ডন কিহোতের মত হাওয়ার ভেতর শত্রু খুজে লাভ হবে না।

সবাইকে ইসলামের শত্রু ভাবা ছাগলামি ছাড়া কিছু না।
১৪০০ বছরে ইসলাম এমন কোন শক্তি হয়ে উঠেনি যে তার পেছনে লাগতে হবে।
ইরান বাদে সবগুলো ইসলামি দেশই পশ্চিমাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে পাচাটা গোলাম হয়ে আছে।

আর সবচেয়ে বড় কথা ইসলাম নিজেই এখনো কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি কোনটা সঠিক ইসলাম। যে কারনে প্রতিটি ইসলামি দেশেই অসংখ্য বিভক্ত ইসলামি দল।
১৪০০ বছরেও এমন কোন ইসলামী দেশ গড়ে ওঠেনি যাকে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী দেশ বলা যায়। 

যে কারনে কোন ইসলাম প্রধান দেশই অন্য ইসলামি দেশের সাথে মিল নেই, সামরিক জোট নেই। সভ্য দুনিয়ার এই বালছালরে ভয় পাওয়ার কি টা আছে?
এগুলারে প্রকৃতই ভয় পাইলে আমেরিকায় শত শত মসজিদ এলাও করত না। যে মসজিদে মোনাজাতে প্রতিদিন ইসলামের শত্রু ইহুদি-নাসারাদের ধ্বংশ কামনা করা হয়। 

দু'একটা ছ্যাচ্চোর দল পাকিয়ে এখানে সেখানে কিছু আতসবাজি ফুটায়,আর একদল ফেবুকিয় আবাল 'আমিন আমিন' করে। ভুয়া ফটোশপ ভুয়া ভিডিও বানিয়ে নেকির পরিমান বৃদ্ধি করে।
২০১৪ দিকে সিরিয়া ইরাকে আইএস উত্থানের সময়টাতে এই আবালগুলা আবুবকর বাগদাদিকে প্রায় নবীর পর্যায়ে নিয়ে গেছিলো। ভাগ্যিস মহানবী (s) নিজেকে শেষ নবী ঘোষণা করে গেছিলেন। নইলে কি যে হত!
নিজেরা অস্ত্র বানাতে তো দূরের কথা গুলি ত বাদ গুলির খোসাটাও বানানোর ক্ষমতা নাই, এরা নাকি সারা পৃথিবী দখল করে ইসলাম কায়েম করবে? হাসবেন? 
তখন ওরা এমনটাই ভাবতো। এখন চিপা হাসি দিয়ে বলে আমেরিকার শৃষ্টি। 


শৃলংকায় নৃশংস হামলার পর 
এখন শুরু হয়েছে একের পর এক ইহুদী-নাসারা, ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্র পোষ্ট। একজন নর্থসাউত অধ্যাপককে দেখাগেল হাস্যকর ভাবে বৌদ্ধদের ষড়যন্ত্র আবিষ্কার করছে!

বাংলাদেশ জংলী মুক্ত হবে কবে?