অজানা পথে!

ঐ যে ইহুদীদের শোণ দৃষ্টি নবী ইউসুফ আ: এর জন্ম হতেই, থাকলে আর কি হবে?
প্রবাদে আছে না?
রাখে আল্লাহ মারে কে?
কুপ হ?

অজানা পথে! ঐ যে ইহুদীদের শোণ দৃষ্টি নবী ইউসুফ আ: এর জন্ম হতেই, থাকলে আর কি হবে? প্রবাদে আছে না? রাখে আল্লাহ মারে কে? কুপ হতে নবী সাথে আবার মিশরের অর্থমন্ত্রী৷ ওদের চক্রান্ত চলমান! এই তো 1947 শে ভারতবর্ষে বৃটিশরা তাদের "দৈহিক হিন্দী, চিন্তাগত ইংরেজ " উত্তরসূরী রেখে বিদায় নিল৷ 1866 তে উপমহাদেশের মুসলমানদের ইসলামের দূর্গখ্যাত দারুল উলুম দেওবন্দের জন্ম হল৷ তাও আবার অসংখ্য উলামা তৌহিদী সাথীদের রক্তের বন্যা প্রবাহিত হওয়ার পর৷ লাখো উলামা তৈরী হল, চলন্ত কুরআন হাফিযদের পদচারনায় ভারতবর্ষ ধন্য হল, দেওবন্দের কারিকুলাম অনুযায়ী সারা পৃথিবীতে অগনিত ক্বওমী মাদরাসা তৈরী হল৷ যার শেকড় থানবী কাসেমী মুহাজিরে মাক্কী হয়ে চলে গেল সূদূর মদীনার রওযায়ে রাসুলে৷ এদিকে আবার ইলিয়াস রহ: এর ফিকিরের বদৌলতে চলন্ত মাদরাসা চলতে ছিল বাংলা হতে ইরাকের দজলা, পৃথিবীর সবখানে সবস্থানে নিরলসভাবে৷ চলন্ত মাদরাসায় আঘাত হানল গাঁভীর রং নিয়ে বিশৃংখলাকারীদের প্রেতাত্মারা৷ ওরা ইসলামবিদ্বেষী ব্লগার তৈরী করে শাপলা রক্তাক্ত করল৷ তাবলীগ বিরোধী সাদিয়ানী তৈরী করে টঙ্গী রক্তাক্ত করল৷ এখন পনের জানুয়ারী দেওবন্দে যাত্রা! অজানা পথে! কে জানে কি হয়? কি ওদের টার্গেট? কেন আবার কাফেলা? সামনে কি আছে? হে আল্লাহ! এ সহজ সরল উলামা তুলাবা তৌহিদী জনতার দেওবন্দী কাফেলা যদি আজ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো এ হিন্দের পরিনতি কি হবে তুমি আল্লাহ ভাল জান! হে প্রভূ! দারুল উলুম দেওবন্দ আমাদের ইলমী কেন্দ্র, হেফাযত কর সকল ষড়যন্ত্র হতে৷ হে আল্লাহ! দেওবন্দ হকের বাতিঘর, তার বাতিকে হিফাযত কর অন্ধকার হতে৷ "তাওহীদের আমানত আমাদের বক্ষে, সহজে নিবে ছিনিয়ে এমন আছে কে? " পনের জানুয়ারীর কাফেলা হক বাতিল পার্থক্যকারী কাফেলা৷ দোয়া রুনাজারীর কোশেশ করি৷