সুন্দরী অপরুপা ললনা!

তোমার স্নিগ্ধতায় মুগ্ধ যেন সবাই "
হায় এত সুন্দর মানুষ? তুমি ছিলে কারো প্রেমাস্পদ। যেন কারো হৃদয়ের টুকরো। ত

সুন্দরী অপরুপা ললনা! তোমার স্নিগ্ধতায় মুগ্ধ যেন সবাই " হায় এত সুন্দর মানুষ? তুমি ছিলে কারো প্রেমাস্পদ। যেন কারো হৃদয়ের টুকরো। তোমার অপেক্ষায় কেউ অপেক্ষা করতো অধির হয়ে তুমি আসবে বলে । রুপের চাহনীতে তুমি ছিলে ধাঁরালো চাকুর মতো। প্রেমাস্পদের অন্তর সেই চাকু দিয়ে খন্ড বিখন্ড করতে। হঠাৎ! আচমকা! তোমার মৃত্যু হলো! সেই ললনা থেকে তুমি আজ একজন লাশ তোমার রুপে আজ ভাঁজ ধরেছে। আফসোস ধরেছে মানব মনে উফ! মেয়েটা মারা গেলো (?) কতইনা সুন্দর আর ভালো ছিলো। কিন্তু না! মৃত্যু তোমার সেই সৌন্দর্যকে বিলিন করে দিলো। কেঁড়ে নিলো সব মায়ার বন্ধন আর ভালবাসার স্নিগ্ধতা! হায় মৃত্যু। তার কাছে কে সুন্দর আর সুন্দরী সেটি হিসেব নেই। মৃত্যুর ধরাশয়ী বড়ই ভয়াবহ। সে না চিনে কে যুবক আর না চিনে কে যুবতী। না চিনে কার কয়টা কোলের শিশু বাচ্চা আছে না চিনে সে চলে গেলে কেউ কষ্ট পাবে। না চলে তার কাছে কোন অভিযোগ বা মনের অভিপ্রায়। মৃত্যুর সংজ্ঞা মৃত্যুই মৃত্যুর কাছে হার মেনেছে সমস্ত রমনী আর রমনারা হার মেনেছে যুগের সবচেয়ে সুন্দর সেই নারীটিও। যাবে বলা হতো মিস সুন্দরী। আহ! আজ সেই মিস সুন্দরীরা কবরের মাটির চাপা পড়ে উপছে পড়েছে গর্তের সাথে। হাড্ডি হয়েছে পোকাদের খাবার। আজ সেই সুন্দরী রমনীদের মাথার কংকালের অংশও পাওয়া যায়না । হে সুন্দরী রমনী। হে সুন্দর রমনা। মনে পড়ে কি সেই গর্তের কথা। নির্জন! নিস্তব্দ! নিরাকার!. শব্দহীন অন্ধকার! সেই কবরের কথা মনে পড়ে কি? হায়! তবু আমরা মৃত্যু থেকে কতইনা বেখবর।