নারী দের নিয়ে কিছু কথা আব্যশই পড়বেন 👇👇👇👇👇👇👇👇


পুরুষের কাছে নারীর বাঁধাধরা কয়েকটি রূপ আছে। মা, বোন, স্ত্রী এবং কন্যা। এর বাইরে যে কোন রূপী নারী তার কাছে আর সাধারণ নারী নন। তারা হয়ে যান পরনারী। আর পরনারী মানেই নষ্টা, ভ্রষ্টা, অপয়া, দেহসর্বস্ব একটি সাকার অস্তিত্ব। নারী যেন সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে নিজের পরিচয়ে নারী হতেই পারেন না। চারিত্রিক স্খলন রোধে নারীকে তাই ডিফল্ট ফর্মেই হাজির হতে হবে পৃথিবীর মানুষের কাছে। পুরুষ নারীকে মানুষ হিসেবে ভালবাসে না, ভালবাসে মাকে, ভালবাসে বোনকে, কন্যাকে। আর বিশেষ পরিস্থিতিতে স্ত্রীরূপের নারীকে। যত যাই হোক শরীরের অবদমন না করে যে নারীর কাছে সহজেই নিজের পুরুষালি অস্তিত্বের চর্চা করা যায় সে নারীকে কিছু সময়ের জন্য ভালবাসতেই হয়।নারীর নারীত্বের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিভিন্ন বই-পুস্তক ও সাহিত্যে বিভিন্নভাবে বর্ণিত হয়েছে। নারীর পূর্ণতা নাকি মাতৃত্বে। তার মানে যারা মা হতে পারবেন না তারা আর যত যাই হোন না কেন তাদের নারী জীবন বৃথা! তাদের জীবন অপূর্ণ? কিংবা যারা মা হতে চান না তারা নারী নন? এই সমাজে কোন নারী চোয়াল শক্ত করে বলতে পারেন না তিনি বাচ্চা চান না। পুরুষের একচ্ছত্র সিদ্ধান্তকে নারীর মাথানত করে গ্রহণ করতে হয়। নারীর যদি কিছু থেকে থাকে তো শুধু একটি রক্ত-মাংসের দেহ কিন্তু এই দেহকেও তার অন্যের মর্জিমাফিক চালাতে হয়। নিজের শরীরের প্রতি নারীর নিজের কোন অধিকার নেই। বিয়ে যতদিন না হচ্ছে ততদিন এই শরীর বাবা-মায়ের, বিয়ে হলে বরের। চুল কতখানি লম্বা রাখতে হবে, জামা-কাপড় কেমন পরবে, কিভাবে পরবে সকল সিদ্ধান্তই নারীর প্রভুদের। আর নারী জীবনের এক এবং একমাত্র লক্ষ্য বিয়ে করে স্বামী-সংসার ও সন্তান উৎপাদন। তারপর দিনের পর দিন ইচ্ছেয়-অনিচ্ছেয় শয্যাসঙ্গী হয়ে আরেকজনের ঘরে বেঁচে থাকা। এর অন্যথা কোনভাবেই করা চলবে না, এটা যুগে যুগে পুরুষতন্ত্রের নির্দেশ। এ নির্দেশ অমান্য করলে চলবে না। এ নিয়মেই এত কাল সমাজ চলেছে। হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা নিয়ম-নীতিকে মূর্খ ছাড়া আর কেই বা অপ্রয়োজনীয় বলে ঘোষণা করে!পুরুষ বলেন ‘নারী মায়ের জাত’। এক মিনিট, আমার আপত্তি আছে; আমার সাথে আরো অনেকেরই আপত্তি আছে। নারী শুধু নারীর জাত। কোন মায়ের জাত, বৌয়ের জাত, বোনের জাত, কন্যার জাত নয়। বেঁচে থাকার প্রয়োজনে নারীকে বিভিন্ন সম্পর্কের নারী হয়ে যেতে হয় কিন্তু আলাদা করে সে কোন জাত নয়। সে কেবলি একজন নারী, একজন মানুষ। নিজের ইচ্ছের, পছন্দের, ভালবাসার, সিদ্ধান্তের জাত। এখনো অনেক নারী এবং পুরুষও মনে করেন নারী বিষয়ক যেকোন আলোচনা অশ্লীল, বিতর্কিত। নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলাও এই অশ্লীল, বিতর্কের অংশ। বিভিন্ন ধর্মীয় পুস্তক ও মুণি-ঋষিদের পাণ্ডুলিপিতেও নারী বিষয়ে একই ধারণা পোষণ করা হয়েছে। নারীর চারিত্রিক বিচার করার সম্মতি দেয়া হয়েছে সে কিভাবে কথা বলে, কোন পরিচ্ছদে থাকে, কতখানি হাসে, কেমন শব্দ করে হাঁটে ইত্যাদি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তার জ্ঞান-বুদ্ধি, মেধার কোন প্রয়োজন হয় না এই বৈচারিক কাজে। সর্বোপরি নারীকে বিচার করতে হবে যৌন অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে ।
CP, পোস্ট

image

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন