রাজধানীর পল্লবী থানার ওসি (তদন্ত) সহ দুই এস.আই এর কর্মকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ও প্রতিবাদের ঝড়।
কতিপয় অসাধু কিছু পুলিশ কর্মকর্তার জন্য পুরো পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। করোনা মহামারী কালীন সময় পুলিশ বাহিনী জনসাধারণের সাথে বন্ধু ও স্বজনদের মতো আচরণ করে মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। কিন্তু সেই সুনাম নষ্ট করতে প্রতিটি থানায় কিছু কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম টেকনাফ থানায়, সাবেক ওসি প্রদীপ, এস.আই লিয়াকত ও কনস্টেবল নন্দদুলাল রক্ষিত।
আর তাদের পথ কে অনুসরণ করে চলছে পল্লবী থানার তদন্ত (ওসি) আবু সাঈদ আল মামুন, এস.আই রাকিব ও এস.আই সোহেল। এরা নিরহ এবং নির্দোষ মানুষদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোই যেন এই তিনজনের কাজ। এদের মিথ্যা মামলার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পল্লবী থানাবাসী। শত্রুদের পক্ষ নিয়ে তাদের যোগসাজশে যেকোনো নিরহ মানুষকে মামলার ফাঁদে ফেলে প্রতিনত হয়রানি করছেন তারা। এতে করে ধীরে ধীরে পুলিশ বাহিনীর ওপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে জনসাধারণের।
তবে পল্লবী থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে কাজী ওয়াজেদ আলী যোগদান করার পর থেকে থানা এলাকায় সকল ধরনের দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমে গেছে। তার দক্ষতায় গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করেছে সন্ত্রাসীদের রাজপ্রাসাদ। প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান। এই অভিযানে কমতে শুরু করেছে মাদক ও চাঁদাবাজি। পেছনের সব খারাপ রেকর্ড কে পিছনে ফেলে নতুন করে সুনাম অর্জন করতে চলেছে পল্লবী থানা। কিন্তু এই সুনামকে নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে এই তিন পুলিশ কর্মকর্তা। এলাকার সুশীল সমাজের লোকজন বুঝে উঠতে পারছে না কেন তদন্ত (ওসি) ও দুই এস.আই কাজী ওয়াজেদের এই সুনামের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ, গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২০) পেশাগত কাজে 'জনতার আলো' পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং মিরপুর প্রেসক্লাবের কার্য নির্বাহী সদস্য- প্রান্ত পারভেজ তালুকদার পল্লবী থানায় গেলে, একটি মিথ্যা মামলায় জামিনে থাকা অবস্থায় তাকে পুনরায় আবার গ্রেফতারী পরোয়ানা দেখিয়ে আটক করেন। এবং অকথ্য ভাষায় কথা বলে একপর্যায়ে থানার গারদে আটক করে রাখে সাবেক ওসি প্রদীপ, এস.আই লিয়াকত ও কনস্টেবল নন্দদুলাল রক্ষিতদের পথ কে অনুসরণ করে চলা পল্লবী থানার ওই তিন পুলিশ সদস্যরা।
তবে জামিনে থাকায় আদালত তাকে ছেড়ে দেন। জামিনে থাকা অবস্থায় তাকে পুনরায় আটক করার ঘটনায় সাংবাদিক সংগঠন সহ সকল সুশীল সমাজের লোকজন এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
ঘটনাটি বৃহস্পতিবার ঘটলে গণমাধ্যমের বদৌলতে ঘটনাটি ভাইরাল হয় গত রবিবার সকাল থেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদের তুমুল ঝড় উঠে। সবার একটাই দাবী, জামিনে থাকা অবস্থায় গ্রেফতার ও হয়রানি করার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দোষীদের শাস্তি চাই। এভাবে একজন জাতির বিবেক ও দেশের দর্পণ এর সাথে এই ঘৃণিত ঘটনাটি ঘটানো ঠিক হয়নি, ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রতিবাদে ভাসছে ভার্চুয়াল জগত।
আরো বিস্তারিত ধারাবাহিক নিউজ আসছে পত্রিকায়.........
Ismat Jahan Antora
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?