নীল আর নীলকষ্ট নয়...:
১৮৪৭ থেকে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিশ্ববাজারে নীলের দাম প্রায় দ্বিগুণ বাড়লেও চাষি ও কৃষক ন্যায্যমূল্য পেতো না। কারণ তাদের ক্রেতা ছিল একমাত্র নীলকর ইংরেজ। এ সময় ভাটির বাংলার প্রায় অর্ধেক নীল উৎপাদিত হতো বঙ্গদেশের নদীয়া ও যশোর জেলায়। প্রাণভয়ে কৃষক নীল চাষ করত কিন্তু তাতে অন্য যে কোনো ফসলের তুলনায় তাদের তৎকালীন ৭ টাকা ক্ষতি হতো। এছাড়া কুঠির কর্মচারী, নীলকরদের সঙ্গে বিক্রির মধ্যস্থতাকারী চামচাদের ঘুষ ছিল অতিরিক্ত সাধ্যাতিত। আর যদি মামলায় পড়ে যেত তবে আর রক্ষে নেই আরও বড় অঙ্কের খরচ হয়রানি কষ্টযন্ত্রণা। ব্রিটিশ বেনিয়ারা আমাদের কৃষক তাদের আবাদি ফসল ফলানো বাদ রেখে নিজেদের লাভের জন্য সুন্দর চাকচিক্যের বিলাসিতার জন্য জোর করে নীল চাষ করাত। নীল চাষ না করলে তাদের কঠিন কঠোর অত্যাচার আর অমানসিক নির্যাতন করত। সে কষ্টের ইতিহাস এখনও বয়ে বেড়ায় বাংলার কিছু মানুষ মননে মেধায় স্মৃতিতে বৃতিতে।
চলবে...
(কৃষি তথ্য সার্ভিস)

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন