১৪ শর্তে মসজিদ খোলা রাখার আহ্বান।

জুমা, পাঁচ ওয়াক্তের জামাত ও তারাবিহ নামাজের সময় মসজিদ খোলা রাখার ক্ষেত্রে ১৪টি শর্ত দিয়ে আলেমরা বলেন, মসজিদে কারপেট, জায় নামাজ বা গালিচা বিছানো যাবে না, জুমার বয়ান, খুতবা, জামাত ও দোয়া সংক্ষিপ্ত করা হবে এবং নামাজের আগে বা পরে মসজিদের ভেতরে বা সামনে জড়ো হওয়া যাবে না, পঞ্চাশোর্ধ বয়সের মুসল্লি এবং ১২-১৩ বছর পর্যন্ত বয়সের বালক মসজিদে আসবে না, যাদের সর্দি, জ্বর, কাশি, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট আছে, যারা আক্রান্ত দেশ ও অঞ্চল থেকে এসেছেন কিংবা যারা ওই মানুষের সংস্পর্শে গিয়েছেন, তারা মসজিদে আসবে না, যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত এবং যারা অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত তারা মসজিদে আসবেন না, যারা মসজিদে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করেন তারাও আসবেন না, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদকে জীবাণুনাশক, স্যানেটাইজ ইত্যাদি দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করবে এবং ওযুখানায় অবশ্যই সাবান ও পর্যাপ্ত টিস্যু রাখবে।

এর পাশাপাশি, মুসল্লিদের দুজনের মাঝে অন্তত দুই ফুট পরিমাণ জায়গা ফাঁক রেখে দাঁড়াতে হবে, বাসা থেকে অজু করে যেতে হবে এবং হাত ও পা ভালোভাবে ধুয়ে মুছে যেতে হবে, বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। পরস্পর হাত মেলানো ও আলিঙ্গন থেকে বিরত থাকতে হবে, সম্মিলিত ইফতারের আয়োজন করা যাবে না, মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম সাহেবদের প্রশাসনের দায়িত্বরত ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে এবং বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ রাখার জন্য প্রতি মসজিদে একটি করে স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন করতে হবে।

এ সব বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে কিংবা কোনো এলাকায় আক্রান্ত সংখ্যা অস্বাভাবিক হয়ে গেলে প্রশাসন সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারবেন।

image

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন