প্রতিশোধ থেকে
ভালোবাসা
পর্ব: ১,,,,

নীলা খান আর আশফি চৌধুরী দুইজনই
প্রবাসী বাংলাদেশী । দুই জনই একই
varsity তে পরছে । আশফির বাবা আশরাফ
চৌধুরী সেই শহরের নামকরা একজন
ব্যবসায়ী আর তার একমাত্র প্রতিদন্দী
শহরের আরো একজন নামকরা ব্যবসায়ী
তিনি হলেন নীলার বাবা রেজা খান ।৷
ইদানিং তিনি অনেক দূর এগিয়ে তার
সুনাম অর্জণ করেছেন ।
নীলা দেখতে ছিল অনেক সুন্দরী। এক
কথায় পরী কিন্তু সে অনেক জেদি আর
কিছুটা অহংকারী, বাবার একমাত্র
আদরের কন্যা সে, আর varsity এর শত শত
ছেলের ক্রাশ । বিদেশেই জন্ম তাই
বিদেশী কালচারেই সে বড় হয় । সে
ক্যম্পাসে আর ক্লাসে বিনা করনে
ছেলেমেয়ের কষ্ট দেয়। বিভিন্ন রকম
শাস্তি দেয় । তাকে একরকম ভয়ই পায়
সবাই । সে ক্যাম্পাসে যা ইচ্ছা তাই
করতে পারে । ক্যাম্পাসের কতৃপক্ষও কিছু
বলে না ভয়ে কারন সব কিছু তার বাবার
অ্যান্ডারে।
আর ওখানেই আশফি এডমিট হয়, আজ তার
ক্লাসের প্রথম দিন তার বন্ধুদের সাথে
সিড়িতে বসে ছিল এমন সময় গাড়ি থেকে
একটা মেয়ে নামল আর সেইটা নীলা ।
আশফি দেখেই হা করে তাকিয়ে থাকল ,
পাশে থেকে একটা বন্ধু বলে উঠল ও হচ্ছে
নীলা, আমাদের কুইন ।
আশফি : হা করে তাকিয়েই বলল ,,,,,,আমি
জীবনেও এত সুন্দরী মেয়ে দেখিনি,,
নিশ্চয়ই বাঙালী হবে, কিন্তু লাইফ স্টাইল
এই দেশের কালচারে, , প্রথম দেখায় আমি
তো এর প্রেমে পড়ে গেলাম
নীলা সিড়ি দিয়ে উপরে উঠে যাচ্ছিল
এমন সময় সে একটা ছেলেকে থাপ্পড় দিল,
আর বলল, আমি যাওয়ার সময় তুই সরে
দাড়াস নি কেন?? এত সাহস তোর আজকেই
তোকে ক্যাম্পস থেকে বের করে দেব ।।
ছেলেটা তখনি নীলার পায়ে পড়ে বলল,
এমনটা করো না, আমার অনেক ক্ষতি হয়ে
যাবে,

,,,নীলা হেসে বলল, এই নীলা কাউকে
ক্ষমা করে না,বলেই একটা লাথি দিয়ে
উপরে চলে গেল,এরপর ছেলেটাকে
ক্যাম্পস থেকে বের করে দেওয়া হল।
আশফি তাকিয়ে সব দেখছিল,, মানুষ এত
খারাপ কি করে হয়, এই সামান্য করনে
কারো ক্যারিয়ারটাই শেষ করে দিল?!!!"
তখন তার বন্ধু বলে উঠে, এই মেয়ের কথাই
আমাদের সবার শুনতে হয় না হলে আমরা এখানে
কেউ টিকে থাকতে পারব না । সবার ওপর
অত্যাচার করে ও
আশফি : হোয়াট!!!! আমি শুনতে পারব না,
ওকে একটা শিক্ষা দেয়া উচিত ,
এরপর ক্লাস টাইম যখন নীলা ক্লাসে ঢুকল
সবাই দড়িয়ে গেল শুধু আশফি বাদে,
সেইটা দেখে
নীলা তার ফেন্ডকে বলল, ছেলেটা কে
রে আগে তো দেখি নি,
মেহরাজ,মানে নীলার ফেন্ড বলল,আজই
এসেছে নতুন
নীলা : ওরে বলে দে, নিয়মকানুন, আর
দাড়াতে বল,
তখন আশফি এসে বলল,,,তুমি কে যে, আমি
দাড়িয়ে সম্মান জানবো,? আমাদের মতই
তো একজন স্টুডেন্ট
নীলা : রাগী চোখে তাকিয়ে আশফিকে
একটা থাপ্পড় দিল,
,,,সবাইকে অবাক করে দিয়ে আশফিও
নীলা কে একটা থাপ্পড় দিয়ে দিল।
,,,,
আশফি তারপর বলা শুরু করল,,,কি ভাব
নিজেকে??? রানী এলিজাবেথ!!!???????
যে যখন তখন সবার উপর হাত উঠাও?? এটা
কি তোমার বাবার ক্লাস যে ক্লাসের
সবাই তোমার কথা শুনে চলবে??? এখনও সময়
আছে নিজেকে শোধরাও,,,!
,,,,,
নীলার গালে থাপ্পড় লাগায় গালের এক
পাশটা লাল হয়ে গেছে আর চোখ দুটো
রাগে ফুসসে,,,লাল চোখ নিয়ে বড় বড় চোখ
করে আশফির দিকে তাকিয়ে
আছে,,,,ছেলেটা এমন করে বসবে যা তার
কল্পনাতেও ছিল না ,,, এমন দুঃসাহস
কারো কোনদিন হয় নি,,
,,,,
এবার নীলা চেচিয়ে বলল,,,,, বুঝেছি তোর
মরার পাখনা গজিয়েছে!!! তাই এখানে
এসেছিস,,,তুই কি আমার ক্ষমতা টা
দেখতে চাস????!!!!!!!! আমার গায়ে হাত
তুলেছিস তুই!!!! যে হাত দিয়ে আমায়
মেরেছিস সে হাত কেটে নিব
আমি,,,,তোর এমন অবস্থা আমি করব সারা
ক্যাম্পস মনে রাখবে আর ভয়ে কেপে
উঠবে,,,!!!!
,,,,,,
আশফি সাথে সাথে উওর দিল,,,,,আমার
গায়ে হাত তোলার অধিকার আপনাকে
কেউ দেয় নি,,,,আর কি বলছেন, আমার হাত
কাটবেন?? একই অপরাধ তো আপনিও
করেছেন বিনা কারনে আমাকে থাপ্পড়
মেরে,,,আপনার শাস্তির পরিমান কেমন
হওয়া উচিত একটু বলবেন,,,? তার পর
আশেপাশে সবার দিকে তাকিয়ে বলল,,
হ্যালো উপস্থিত জনগন আপনারাই
বলেন,উনার কি শাস্তি হওয়া উচিত
,,,,,,,
সেই সময় আশফির এক বন্ধু আশফিকে ওখান
থেকে সরে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে আর
বলছে,,,,
আশফি অনেক বলে ফেলেসিস আর তুই কার
গায়ে হাত তুলেসিস????? জানিস তুই????
তুই নীলাকে চিনিস না
,,,,,,,,,
,,,,,,এবার আশফি অনেক জোরে চিৎকার
করে বলল,,,নীলা আমায় চেনে না,,,,
,,,,,
নীলা তখনই তার ফোনটা হাতে নিয়ে
বাহিরে গাড়িতে বসে থাকা তার বডি
গার্ডকে বলল,,,৫ মিনিটের মধ্যে আমার
ক্লাস রুমে ১০ জন গার্ডকে পাঠাও একটা
ছেলেকে পিটিয়ে,,,তার সব হাড্ডি
ভেংগে দিতে হবে। এক্ষুনি পাঠাও ,,,,!
,,,,,,
গার্ড টা বলল,,,,,ওকে ম্যাম
,,,,,,,
যেই কথা সেই কাজ ৫ মিনিটের মধ্যেই
ক্লাস রুমে নীলার ১০ জন গার্ড চলে এল,,,,
নীলা হাত দিয়ে ইশারা করে আশফিকে
তাদের দেখিয়ে দিল,,,,
গার্ড গুলো ইয়েস ম্যাম বলে আশফির
দিকে এগিয়ে গেল,,,,,
ক্লাসের সবাই অবাক আর একরাশ ভয় নিয়ে
ঘটনাটা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে,,
,,,
নীলা তখন সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল, এই
ক্লাস থেকে কেউ বাহিরে যাবে না আর
বাহিরের সবাইকে এখানে ডেকে নিয়ে
এসো,, সবাই ওর ভয়াবহ অবস্থাটা নিজের
চোখে দেখবে,,,,,,হা হা হা,,, বিকট একটা
হাসি দিয়ে আশফির দিকে তাকাল
,,,,,,
আশফি তখন বলে উঠল,,,, ওয়েট
ওয়েট,,,দেখার জন্য আরো একটু লোক জড়
করে নেই তাহলে,,,কেমন??
এটা বলে আশফি তার ফোন বের করে তার
বাবাকে ফোন দিল,,,হ্যালো ড্যাড আমার
ক্যাম্পসে কিছু গার্ড কে পাঠও তো,,!
কুইকলি,,,,,,
,,,,
বলতে বলতেই সেখানে আশফিরও বেশ
কয়েকজন বডি গার্ড চলে এল,,,
,,,,,
সবাই শুধু হা করে দেখছে,,,! কি হচ্ছে এসব
ক্লাসে!!!!!!!সব কিছু মাথার উপর দিয়ে
যাচ্ছে সবার,,,,,
,,,,,
এরপর নীলার বডি গার্ডরা আশফিকে
মারতে গেলে আশফির গার্ডরা বাধা
দেয়,,,,আর ধাস্থাধস্তি থেকে মারামারি
শুরু হয়ে যায় দুই গ্রুপ্রের মধ্যে,,ক্লাসে
ভাংচুর হচ্ছে প্রচুর,,সবাই ভয়ে রুমের
বাহিরে চলে যায়,,,,মারামারি করতে
করতে গার্ডরাও রুমের বাহিরে চলে
আসে,
বেশকিছুক্ষন পর আরো গার্ড আসতে শুরু
করে,,,ভয়াবহ মারামারি লেগে গেল
ক্যাম্পাসে,,
,,,,,,,
ক্যাম্পাস এর প্রশাসন বিভাগ পুলিশে খবর
দেয়,,,আর পুলিশ এসে সব শান্ত করে এবং দুই
গ্রুপের মারামারির লিডার নীলা ও
আশফি দুইজনকেই থানায় ধরে নিয়ে
যায়,,
,,,,,,,,,,
#নীলাদ্রিকা_নীলা

,,,,,,,,
চলবে.......

image

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন