বাই এ কথা মানেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সফল হতে হলে ডেমোক্রেটিক চ্যালেঞ্জারকে ২০০৮ ও ২০১২ সালের মতো ‘ওবামা কোয়ালিশন’ গঠন করতে হবে। নেভাদায় নাটকীয় বিজয়ের ভেতর দিয়ে স্যান্ডার্স প্রমাণ করেছেন যে একমাত্র তাঁর পক্ষেই তেমন কোয়ালিশন গঠন সম্ভব।
কোনো চূড়ান্ত ঘোষণার সময় এখনো আসেনি। দলের অন্য প্রার্থীরাও হাল ছেড়ে দেননি। বাইডেনও আশায় আছেন আফ্রিকান-আমেরিকানদের সমর্থনে বাছাইপর্বের পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে তিনি চলতি ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন। ব্লুমবার্গও আশা করছেন বিজ্ঞাপনের জোরে তিনি এ কথা প্রমাণে সক্ষম হবেন, ধনকুবের ট্রাম্পকে হারাতে হলে তাঁর মতো আরেকজন ধনকুবের দরকার। ৩ মার্চ তথাকথিত ‘সুপার টুইসডে’তে একসঙ্গে ১৪টি অঙ্গরাজ্যে বাছাইপর্বের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাইডেন ও ব্লুমবার্গ উভয়েই আশা করছেন, এই ভোটেই তাঁরা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে সক্ষম হবেন।
Reeyad Hussain
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Ar Sadi
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Kazol Mahomud
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?