স্যান্ডার্সের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের ‘সমাজতন্ত্রের’ ভয় ভাঙানো। এ জন্য স্যান্ডার্সের যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ‘সমাজতন্ত্র’ অর্জিত হয়েছে। তবে এই ‘সমাজতন্ত্রের’ একমাত্র সুবিধাভোগী হলো দেশের ১ শতাংশ অতিধনী গোষ্ঠী। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিপুলসংখ্যক মানুষ স্বাস্থ্যবিমার বাইরে। অধিকাংশের জন্য উচ্চশিক্ষার দ্বার রুদ্ধ। ধনী আরও ধনী হচ্ছে, দরিদ্র হচ্ছে আরও দরিদ্র। তিনি এ অবস্থা বদলাতে চান।
কিন্তু স্যান্ডার্সের এমন বক্তব্যের ফলে সবাই তাঁর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছেন, এমনটা নয়। এক সপ্তাহ আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর এক জনমত জরিপে বলা হয়েছে, দেশের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ একজন ‘সমাজতন্ত্রীকে’ প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়। তবে জরিপে এ–ও বলা হয়েছে, ডেমোক্রেটিক ভোটারদের মধ্যে ৫০ শতাংশ সমাজতন্ত্রকে ইতিবাচকভাবে দেখে।
সবাই এ কথা মানেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সফল হতে হলে ডেমোক্রেটিক চ্যালেঞ্জারকে ২০০৮ ও ২০১২ সালের মতো ‘ওবামা কোয়ালিশন’ গঠন করতে হবে। নেভাদায় নাটকীয় বিজয়ের ভেতর দিয়ে স্যান্ডার্স প্রমাণ করেছেন যে একমাত্র তাঁর পক্ষেই তেমন কোয়ালিশন গঠন সম্ভব।
Reeyad Hussain
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Ar Sadi
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?
Kazol Mahomud
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?