প্রাথমিক খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে আগে যেভাবে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে, তার প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে থেকে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার বিষয়গুলোর জন্য তিন দিনে তিনটি পৃথক ভর্তি পরীক্ষা (অভিন্ন প্রশ্ন) হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের নিয়ে তিনটি শাখার জন্য পৃথক তিনটি কেন্দ্রীয় পরীক্ষা কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন্দ্র থাকবে। শিক্ষার্থীরা তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি তাদের পরীক্ষা নেওয়ার সামর্থ্যের বেশি আবেদন জমা পড়ে, তখন মেধা অনুযায়ী (উচ্চমাধ্যমিক ফল) নিকটতম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে শুধু শিক্ষার্থীর একটি স্কোর বা নম্বর নির্ধারণ করে দেওয়ার পর কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কাজ শেষ হবে।

খসড়ায় বলা হয়, ভর্তি পরীক্ষার পরের কাজটি করবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত পদ্ধতিতে (তারা যেভাবে উপযুক্ত মনে করে) নিজ নিজ প্রয়োজনীয় শর্ত যুক্ত করে পৃথকভাবে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার নম্বরকে বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা পরিষদ (একাডেমিক কাউন্সিল) বা ভর্তি কমিটি প্রয়োজনীয় শর্তারোপ করার সুযোগ পাবে। বিশেষায়িত বিভাগগুলো যেমন, স্থাপত্য, চারুকলা ও সংগীত বিষয়ের জন্য প্রয়োজনমতো শুধু ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার নম্বরকে যুক্ত করেই মেধাতালিকা করতে হবে।

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন