প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সব কষ্ট সহ্য করে একটা জিনিসই শুধু চিন্তা করেছি, আমার বাবা দেশটা স্বাধীন করেছেন দেশের মানুষের জন্য। সেই সাধারণ মানুষের জীবনটা যেন সুন্দর হয়। সেই জন্য নিজের জীবনের ক্ষোভ-ব্যথা সবকিছু বুকে চেপে রেখে আমি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি, এ জন্যই যে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনকারী এই বাংলাদেশের মানুষ যেন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলতে পারে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘কারও প্রতি বিদ্বেষ নিয়ে চলি না, বা প্রতিশোধ নিতেও যাইনি। কিন্তু যেখানে অন্যায় হয়েছে, সেখানে ন্যায় করার চেষ্টা করেছি। এ জন্য পঁচাত্তরের খুনিদের বিচার করেছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে সক্ষম হয়েছি। সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং চালিয়ে যাব। দেশটা যাতে সুন্দরভাবে গড়ে ওঠে, তার জন্য সব প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’
ধর্ষণ ও নারী শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ধর্ষণকারী, মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং নেওয়া হবে।
বৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার পরামর্শ
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাঁরা ভুল পথে এবং দালালের খপ্পরে পড়ে বিদেশে যান, তাঁরাই সমস্যায় পড়েন। অনেক নারী প্রশিক্ষণ না নিয়ে টাকা দিয়ে সনদ নিয়ে বিদেশে যাচ্ছেন আর সেখানে গিয়ে বিপদে পড়ছেন। তিনি বৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার পরামর্শ দেন
shamim iqbal
Delete Comment
Are you sure that you want to delete this comment ?