গণতন্ত্র ও উন্নয়নের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সব প্রয়াত সংসদ সদস্যকে স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘আপনারা জানেন, ১৯৭২ সালে লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি দিয়ে সংসদে আমার পথচলা শুরু এবং ২০১৩ সালের মার্চ মাসের মাঝামাঝি তা শেষ হয়। সংসদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক মনের ও প্রাণের। প্রায়ই মনটা চায় সংসদে গিয়ে কার্যক্রম দেখি এবং আপনাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও গল্পগুজব করে সময় কাটাই। কিন্তু জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে ইচ্ছা থাকলেও উপায় থাকে না। তবে সংসদে না গেলেও আমি টেলিভিশনে নিয়মিত সংসদ কার্যক্রম দেখি।’

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানম। ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি। ছবি: পিআইডি
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানম। ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি। ছবি: পিআইডি
সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। জনগণ অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আপনাদের ভোট দিয়ে তাঁদের প্রতিনিধি বানিয়েছে। তাই আপনাদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।’

বিরোধী দলকে সংসদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আখ্যায়িত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিরোধী দলের গঠনমূলক সমালোচনা ও ভূমিকা সংসদকে কার্যকর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান ও বিগত সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল সংসদকে কার্যকর করতে যে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে, তা খুবই প্রশংসনীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। সংসদ হয়ে উঠবে সরকারের সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। উন্নয়ন ও গণতন্ত্র এগিয়ে যাবে একই সঙ্গে।’

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন