নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা আমরা বলেছিলাম। আওয়ামী লীগের দলীয় রাষ্ট্রপতি আমাদের কথা শোনেননি। তিনি এমন সব লোকজন দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন, যাঁদের কোনো যোগ্যতা নেই। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথা শুনলে মনে হয় ওনার নির্বাচন কমিশন পরিচালনার কোনো যোগ্যতা নেই।’
ফখরুল বলেন, এমন ইভিএম চালু করেছেন, সিইসির নিজের আঙুলের ছাপই মেলে না। তাঁর ভোট দিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। আসলে আওয়ামী লীগ পুরো নির্বাচনব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। নির্বাচন এখন বাংলাদেশের মানুষের কাছে তামাশায় পরিণত হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। অনেকে আমাদের প্রশ্ন করেন, সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন, নির্বাচনে যাচ্ছেন কেন? কারণ, আমরা একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক দল। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তনে বিশ্বাস করি। আমরা মনে করি, নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো পথে ক্ষমতার পরিবর্তনের পথ নেই, হওয়া উচিত না। সে কারণেই আমরা সব নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।’

এই সরকারের আমলে আগের দু-একটি নির্বাচন বর্জন সঠিক হয়নি বলে সভায় মন্তব্য করেন ফখরুল। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি যে অতীতে দু-একটি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি। এরপর থেকে আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়ে আমরা আমাদের দলকে জনগণের সঙ্গে আরও বেশি করে সম্পৃক্ত করতে চাই। আমরা মনে করি, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেই এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে হবে। নির্বাচনে অংশ নেওয়াকে আমরা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক আন্দোলন বলে মনে করছি।’

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন