গতকাল ভোটের মধ্যে কাঁঠালবাগান হাসান আদর্শ বিদ্যালয়ে কথা হয় আবদুল্লাহ আল আরেফিনের সঙ্গে। তিনি ভোট না দিয়েই চলে যাচ্ছিলেন। কারণ জানতে চাইলে ওই ভোটার বলেন, ‘ভবনের দোতলার ৪ নম্বর বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু দেখলাম, গোপন কক্ষে ভোটারের সঙ্গে একটি দলের ব্যাজ লাগানো এক ব্যক্তিও যাচ্ছেন। কোন প্রতীকে ভোট দিতে হবে, তা বলে দিচ্ছেন।’ আরেফিন আরও বলেন, ‘আমি “হয়তো” ওই প্রতীকেই ভোট দিতাম। কিন্তু ওই লোকের সামনে, ওই লোকের কথায় দিতে হবে, এই মানতে পারিনি। এর কারণে ভোটই দিইনি। চলে এসেছি।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ মনে করেন, ভোট কম পড়েছে, এটা ঠিক। তবে এর পেছনে কারণ আছে। তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি দেখেছি, ৩০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে, যা অনেক বেশি হতো। ভোট কম হওয়ার পেছনে নিশ্চয়ই কিছু কারণ যুক্ত। প্রথমত, পূজাসহ টানা তিন দিন ছুটি থাকায় অনেকে গ্রামে চলে গেছেন। দ্বিতীয়ত, শুরু থেকেই ইভিএম নিয়ে বিএনপির নেতিবাচক প্রচারণা মানুষের মধ্যে ইভিএম নিয়ে একটি সংশয় তৈরি করেছে। তৃতীয়ত, বিএনপি বলছে, তারা আন্দোলনের অংশ হিসেবে ভোটে এসেছে, জেতার জন্য নয়। এসব কারণে প্রায় ৮ থেকে ১০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি কম হয়েছে।’

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন