এছাড়াও রয়েছে নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ, বিনোদন কেন্দ্র বাড়ানো, যোগাযোগ ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থা, পরিবেশ উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সমাজসেবা কার্যক্রম, জননিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নৈতিকতার শক্তি পুনরুদ্ধার, গ্রন্থাগার ও জাদুঘর, নগর পরিকল্পনা ও প্রশাসন ইত্যাদি।

বিশ্বমানের অত্যাধুনিক নগরী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনাব ইশরাক হোসেন বলেন, নগরবাসীর গণশুনানির মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে। তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দ্রুত জবাবদিহিতামূলক অন স্টপ সার্ভিস চালু করা হবে। এ জন্য সেক্টরগুলো দুর্নীতিমুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসাসহ রাজধানীতে সুপেয় পানি সরবরাহ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হবে। মূল সড়ক, শাখা সড়ক, সড়কদ্বীপ, অলিগলি, খেলার মাঠ, পার্ককে সার্বক্ষণিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা হবে। কম দামে বিষমুক্ত ও ভেজালমুক্ত খাবারের ব্যবস্থা করতে বিশেষ মার্কেট স্থাপন করা হবে।

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন