গ্রামে একটা কথা বেশ প্রচলিত ছিলো
"নিজের পোলা লাঙলের গদাও বালা" অর্থাৎ, নিজের জিনিষ মন্দ হলেও ভালো।

আধুনিক বোদ্ধারা বলেন
"Blessings aren’t valued till they are gone
অর্থাৎ দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা জানে না"।

নিচের ছবিটি ২০১৫ সনে মাগুরায় পেয়াজের বাম্পার ফলন হওয়ার পর কৃষকরা ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার।

****
নিজ দেশের পণ্য একটু বেশিদাম হলেও বিদেশী পণ্যে অনিহা তৈরী করা জরুরী।

হিসেব খুব সোজা ও সরল অর্থাৎ প্রায় অর্ধযুগ ধরে স্বদেশী কৃষকদের অবমূল্যায়ন করেছি আর এখন বিদেশীদের খেলার পুতুল হয়ে প্রলাপ বকছি; এই সোজাসাপ্টা বিষয়টি বুঝতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ কিংবা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষকের বই পড়তে হবে না।

পাশের দেশের উপর ছুরি ঘুরাতে হলে প্রথমে আপনি কম মূল্যে পণ্য রপ্তানি শুরু করুন।
হোক না কিছুদিন লস, বছর দুয়েক যেতেই দেখবেন ঐদেশের #মূর্খ ভোক্তারা সস্তায় পণ্য পেয়ে নিজ দেশের পণ্যের উপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে থাকবে। আর সুযোগ সন্ধানী আমদানীকারকরা আখের গোছাতে সুযোগের অপেক্ষায় থাকবে।

এভাবেই চালিয়ে যেতে থাকুন যতক্ষণ না পাশের দেশের দেশীয় উৎপাদন শূণ্যতে না পৌছাচ্ছে।

যখন থেকেই তাদের দেশজ উৎপাদন বন্ধ হবে তখনই আপনার পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিন। অর্থাৎ, গেমটা এখন সম্পূর্ণ আপনার নিয়ন্ত্রণে, আর সাথে তো ভোক্তা দেশের স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ী মহল আছেই।

*****
ভোক্তা হয়ে আমরাই অন্যকে সুযোগ করে দিচ্ছি আমাদের বাজার নিয়ন্ত্রণের। ২০১৫/১৬ তেও এদেশের মানুষ পেয়াজের বাম্পার ফলন করেও ন্যায্য মূল্য পায়নি, কারন আমরা ভোক্তারা সস্তায় অন্য দেশের পণ্যে মজে ছিলাম।।

একই চিত্র ধান/চালে ঘটতে যাচ্ছিলো সম্প্রতি; এবং ঠিক পেয়াজের ন্যায় মাংস এবং তরল দুধও সারাদেশের মানুষকে বিপদে ফেলতে পারে যদিনা এখনই দেশের প্রাণিসম্পদ সেক্টরকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা যায়। কুরবানী তে ভারতীয় গরু, চা খেতে গিয়ে গুড়ো দুধ এইসব ভোক্তা শ্রেণি থেকে দূর করা জরুরী।
(copied)

image

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন