Translate   5 months ago

শশুরের বাইক নিয়ে লং ড্রাইভে বের হয়েছি। উদ্দেশ্য রিক্সা ভাড়া বাঁচানো। বাইক নিয়ে শশুর বাড়ি, কেওয়াটখালী ছেড়ে বাইপাসে উঠলাম।
পুরো রোড ফাকা পেয়ে ও তেল বেশি খরচ হওয়ার ভয়ে একেবারেই ধীর গতিতে বাইক চালাচ্ছি। বাইক নিয়ে একটু সামনে যেতেই তাকিয়ে দেখি বাইকের লম্বা সিরিয়াল দাড় করিয়ে রেখেছে। পুরো রাস্তা ফাকা থাকার পরে ও সবাই সিরিয়ালে কেন দাড়িয়ে আছে তা দেখার জন্য আরেকটু সামনে যেতেই দু'জন পুলিশ হাত দিয়ে বাইক থামিয়ে ধমক দিয়ে বললো, দেখোস না সবার ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করছি ! সবাই দাড়িয়ে আছে দেখে ও সামনে আসলি কেন ? দেখি তো তোর ড্রাইভিং লাইসেন্স !

বাইকের পিছনের সিট থেকে কাগজ দিয়ে মোড়ানো শশুরের ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড বের পুলিশ হাতে দিলাম।
পুলিশ কার্ড হাতে নিয়ে একবার আমার দিকে তাকাচ্ছে আরেকবার কার্ডের দিকে তাকাচ্ছে। অবশেষে অনেক বিশ্লেষন করে বললো, এই কার্ড তো কোনভাবেই তর হতে পারে না!
কেন পারে না ?

কার্ডে দেওয়া ব্যাক্তির ফটোতে মুখভর্তি দাড়ি আর তর মুখে তো কোন দাড়িই নেই !
আমি নরম স্বরে বললাম, এগুলো আমারই দাড়ি, বিয়ের আগে কেটে ফেলেছি। যেনো সিস্টেমে বয়স বউয়ের চেয়ে ও কমিয়ে আনা যায়।
পুলিশ আগের চেয়ে কঠিন গলায় ধমক দিয়ে বললো, তোর যে বিয়ের আগে মুখভর্তি এতো বড় বড় দাড়ি ছিল এটার প্রমান দেখা।
আমি মানিব্যাগ থেকে এক হাজার টাকার একটি নোট পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললাম, এই নিন তার প্রমান।

ঠিক আছে, এবার তাহলে যাও। এই বলে আমাকে ছেড়ে দিলো।

আমি একটু সামনে গিয়ে পিছনের দিকে তাকিয়ে হাসলাম।
এই হাসি আন্তরিকতার হাসি নয় , ছয় মাস চেষ্টার পরে এক হাজার টাকার জাল নোটটি চালিয়ে দিতে পারার হাসি !

(collected)
😄😃😀😆🙄😁