Sabuj Hasan is feeling Sad
7 yrs

হাশেম চেয়ারম্যান অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে দেখলেন মুক্তিযোদ্ধার দলটা ফজরের আগে আগে তাঁর বাড়িতে খেতে এলো। দলের কমান্ডার খাবার সময় বিনীত গলায় বাড়ির মহিলাদের কাছে কাঁচামরিচ চাইল। এই ভদ্র-বিনয়ী ছেলে নাকি কিছুক্ষণ আগে পাচঁজন মিলিটারি, তিনজন পশ্চিম পাকিস্তানি পুলিশকে ব্রিজের উপর থেকে গুলি করে পানিতে ফেলে দিয়েছে।

রফিক গোলাগুলি শুরু হওয়া মাত্র পালিয়ে গিয়েছিল। খাওয়া দাওয়ার সময় সে আবারও উপস্থিত হলো এবং অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে খাওয়া দাওয়ার তদারকি করতে লাগলো। একবার শুধু ফাঁক পেয়ে নাইমুলকে বলল, স্যার, যতদিন জীবন আছে আমি আপনার সাথে আছি। আর আপনারে ছাইড়া যাব না। ভয় পাইয়া দৌড় দিছিলাম। আমি গু খাই।

রফিক কথা রেখে ছিল। কাঁচপুর অপারেশনে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সে নাইমুলের সাথেই ছিল। সে খুব ভালো এসএমজি চালাতে শিখেছিল।
কাঁচপুর অপারেশন এ গুলিবিদ্ধ হবার পর থেকে জীবনের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত সে এসএমজিতে গুলিবর্ষণ করেছিল বলেই নাইমুল তার দল নিয়ে পালাতে পেরেছিল। একই ধরনের বীরত্ব দেখিয়েছিলন আরেকজন। তিনি সিপাহি মোস্তফা কামাল।

গাঙ্গাসাগর আক্রমণের সময় আমৃত্যু মেশিনগানের গুলিবর্ষণ করে তিনি তার প্লাটুন কে পশ্চাদ অপারেশন এর সুযোগ করে দেন। তার প্রানের বিনিময়ে পুরো প্লাটুন রক্ষা পায়। সিপাহি মোস্তফা কামাল কে বীরশ্রেষ্ঠ সম্মানে সম্মানিত করা হয়। রফিকের নাম মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাতেও নেই!!!😭
😭
"জোছনা ও জননীর গল্প "
হুমায়ুন আহমেদ ❤

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন