★ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক একজন পুরুষ মোট★
--------------------------------------------------
১৪ জন নারীর সাথে দেখা করতে পারবে।
_______________
মায়ের মত ৫ জন
_______________ _
_১| নিজের মা_
_২| দুধ মা_
_৩| খালা_
_৪| ফুফু_
_৫| শাশুড়ী_
__________________
বোনের মত ৫ জন
__________________
_১| আপন বোন_
_২| দুধ বোন_ _
_৩| দাদী_
_৪| নানী_
_৫| নাতনী_
________________
মেয়ের মত ৪ জন
________________
_১| নিজের মেয়ে_
_২| ভাইয়ের মেয়ে_
_৩|বোনের মেয়ে_
_৪| পুত্রবধু_
-------------------------------
এমনিভাবে একজন মহিলার জন্যেও ১৪ জন
পুরুষের সাথে দেখা দেওয়া বৈধ।
_______________
বাবার মত ৫ জন _______________
_১| নিজের বাবা_
_২| দুধ বাবা_
_৩| চাচা_
_৪| মামা_ _৫| শশুর_
_________________
ভাইয়ের মত ৫ জন
_________________
_১| আপন ভাই_ _
_২| দুধ ভাই_
_৩| দাদা ভাই_
_৪| নানা ভাই_
_৫| নাতী_
_______________
ছেলের মত ৪জন
_______________
_১| নিজের ছেলে_
_২| ভাইয়ের ছেলে_
_৩|বোনের ছেলে_ _
_৪| মেয়ের জামাতা_
______________________________
এছাড়া বাকিদের সাথে দেখা করা তো দুরের
কথা,
অযথা কথাবার্তা বলাও কবিরা গুনাহ..
_চাই তা_সরাসরি হোক বা মোবাইল ফোনে
হোক। যে গুনাহ তওবা ছাড়া মাফ হয়না।
তাই আসুন_
আমরা সকলে এই গুনাহ থেকে বাচার চেষ্টা
করি।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করুন।
_আমিন
ব্যক্তি ক্ষেত্রে পর্দার যে বিধান...তাও
ভিন্ন...যেমন..
স্বামী—স্ত্রী...স্বামী স্ত্রীর ক্ষেত্রে কোন
পর্দা
করতে হয়না...সবকিছুই দেখা বা দেখানো
জায়েয তবে অকারণে লজ্জাস্তান
দেখা,নির্লজ্জতার সামিল...মনে রাখতে হবে
যে লজ্জা ইমানের অর্ধেক...আল—হাদীস
নারী—নারী...নারীদের সাথে নারীদের
নাভীর নিজ থেকে হাটুর উপর পর্যন্ত দেখা বা
দেখানো জায়েয নেই...বাকি সব দেখা
জায়েয তবে অকারণে গোপন অঙ্গ দেখা
লজ্জাহীনতার পরিচয়,আর লজ্জাই নারীর শেষ্ট
সম্পদ...
মাহরাম পুরুষদের ক্ষেত্রে মূখমন্ডল,হাতের
কব্জির নিচের অংশ এবং পায়ের চূল গিরার
নিচের অংশ দেখা বা দেখানো জায়েয তবে
ফেৎনার আশংকা থাকলে সবার ক্ষেত্রে
এইটার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে
বেমাহরাম/পরপুরুষের ক্ষেত্রে সমস্ত শরীলই
ঢেকে রাখা জরুরী...একান্ত জরুরী কাজে
বাহিরে যেতে হলে সমস্ত শরীল ঢেকে যেতে
হবে।।

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন