১২ দিনে ৩৫ টি ধর্ষনের ঘটনা ঘটে গেলো এতে কিন্তু তথাকথিত বুদ্ধিGB দের চেতনা দাঁড়ায় নাই। শিক্ষা পরিবেশে যখন মেয়েরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হয়, ক্লাস রুমে যখন ছাত্র -ছাত্রীরা প্রেমলীলায় মত্ত, প্রাইভেটে নামে যখন শিক্ষক ছাত্রীর ইজ্জত লুটপাট করে, ক্লাস ফাকি দিয়ে যখন পার্কে ছাত্র -ছাত্রীরা অসামাজিক কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করে সমাজকে নোংরামীর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তখন বোবা শয়তানের ভূমিকায় তাদের অবস্থান।
কিন্তু আল্লামা শফী (দাঃ বাঃ) যখন নারীদের শিক্ষা পরিবেশের সুরক্ষার জন্য সতর্কবাণী স্বরুপ কথা বললেন, পর্দার বিধানের কথা বললেন তখন তাদের চেতনা দন্ড দাঁড়িয়ে তাল গাছ হয়ে গেছে।

_তোমরা লুচ্চামি কর ১২ মাস, আর আহমদ শফী ইসলামের পক্ষে বললেই সর্বনাশ!!!
এরাই হল তসলিমা নাসরিনের ডিম থেকে ফোঁটা বাচ্ছারা।
দেশে নতুন বছরের শুরু থেকে নিয়ে এপর্যন্ত অনেক ধর্ষণ হয়েছে, হচ্ছে,কই তখন কোথায় ছিলো এই নারী চেতনা???কোথায় ছিলো এই লেবাসধারী দালালরা???
নারী চেতনা এইবার জাইগ্যা উঠছে, কারণ হুজুর বলে কথা।
যেহেতু এই কুলাঙ্গারদের বসবাস অসভ্য পরিবেশে সভ্য সমাজ সভ্য পরিবেশ সহ্য হয় না।কারণ ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চললে তাদের সব ধান্ধা বন্ধ হয়ে যাবে তাই সব চুলকানি ধর্মীয় বিষয়ে!

একেমন যুগে আমরা বসবাস করছি,এটাকে কি সভ্যতার যুগ বলা যায়, নাকি বর্বরতার যুগ??

image

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন