প্রাচীন বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত দার্শনিকদের একজন হিসাবে #অ্যারিস্টটল সুপরিচিত। মৃত্যুর দু’হাজার বছর পরও তার জীবন এবং কাজ নিয়ে গবেষণা এবং পড়াশোনা অব্যাহত রয়েছে। অ্যারিস্টটল মূলত ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছেন সাধারণ কিছু নীতিশাস্ত্রের প্রবর্তন এবং বিজ্ঞানের বিশেষ কিছু শাখার জনক হিসেবে। তবে তার জীবনদর্শনটাও খুব একটা সুবিধার ছিলো না।

নারীদের প্রতি অ্যারিস্টটলের দৃষ্টিভঙ্গি এতোটাই বিস্তৃত ছিলো যে একটা আস্ত উইকিপিডিয়া পেজ পর্যন্ত রয়েছে! তার মতে, নারীদের হওয়া উচিত পুরুষের কাছে পরাধীন, নির্ভরশীল। তিনি এমনকি প্রতি বেলায় নারীদের খাবার খাওয়ারও অধিকার দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন না। তিনি আরো দাবি করতেন, নারীরা আসলে অসম্পূর্ণ পুরুষ, সুতরাং তারা নিকৃষ্ট।

কিন্তু তাতে কী? ২,০০০ বছর আগে তো সবারই এই একই ধারণা ছিলো, তা-ই না? আজ্ঞে না, বরং ঠিক উল্টোটা। তৎকালীন স্পার্টান নারীদেরকে পুরুষের সমমর্যাদায় দেখা হতো। স্পার্টার কুইন গারগোকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করেছিলেন, “কেন স্পার্টান নারীরা পুরুষদের উপর এমন অনায়াসে ছড়ি ঘুরাতে পারেন?” উত্তরটা গারগো দিয়েছিলেন দুর্দান্ত শক্তিশালী একটা কথা বলে, “কেননা শুধুমাত্র স্পার্টান নারীরাই স্পার্টান পুরুষ জন্ম দিতে পারে।” একদিকে অসাধারণ সাহসিকতায় বলীয়ান স্পার্টান নারীরা, অন্যদিকে সমসাময়িক অ্যারিস্টটলের এমন অদ্ভুত জীবনদর্শন, কোনোমতেই সেটাকে ঠিক আদর্শ বলে মেনে নেয়া চলে না॥

তথ্যসূত্রঃ
১. https://muse.jhu.edu/article/226997/pdf
২. https://roar.media/bangla/…/li....festyle/the-terrible

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন