একটা অনুরোধ দয়া করে পড়বেন 🙏🙏🙏🙏🙏,
.
একজন বৃদ্ধ শায়খ গল্পটা শুনিয়েছেন।
যিনি আরবের একটি মসজিদের ইমাম।
তিনি বলেন-একদিন ফজর নামাজ পড়ে বসে আছি এমন সময় তেরো চৌদ্দ বছরের একটি বালক দৌঁড়ে আসল হন্তদন্ত হয়ে। হাফাতে হাফাতে সে আমাকে বলল,আমার আব্বা দ্রুত আপনাকে আমাদের বাসায় নিয়ে যেতে বলেছেন।
.
আমি তার সাথে দ্রুতপদে তাদের বাসায় গেলাম।
দেখলাম,ছেলেটির বাবা আমার অপেক্ষায়
দাডিয়ে আছে। পঞ্চাশোর্ধ একজন লোক। অস্থির
হয়ে আমাকে তিনি বললেন, হুজুর! আমার মেয়ে মৃত্যুপথযাত্রী। তাকে একটু তালকীন করুন।
.
আমি ঘরের ভেতর প্রবেশ করলাম।দেখলাম বোরকাবৃত করে রাখা হয়েছে তরুণীমেয়েটিকে। তার অবস্থা দেখেই বুঝতে পারলাম আরবেশি সময় বাকি নেই।শেষ নিঃশ্বাস গুলো শেষ হতে যতক্ষণ।
আমি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে বললাম, মা!
বলো- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ
কয়েকবার এভাবে তালকীন করলাম।
.
সে কালিমা তো পড়লোই না, উল্টো চিৎকার করে
আমাকে বলল, আমার বুক ভেঙ্গে আসছে, আমার
পাজরের হাড্ডিগুলো মচরে যাচ্ছে।
.
আমি আবার কালিমার তালকিন করলাম। এবার সে
এমন একটি বাক্য বলল যা বজ্রের মতো শোনাল আমার কানে। মেয়েটি বলল, ঐ যে আমার জাহান্নামআমাকে দেখানো হচ্ছে। খোদার কসম আমি আমার দোযখ দেখতে পাচ্ছি।
.
এ-কয়টা কথা বলেই সে চলে গেল।হয়তো যে ভয়ংকর স্থান তাকে দেখানো হয়েছিল সেদিকেই নিয়ে যাওয়া হলো কিশোরিমেয়েটির রুহকে। কারণ, যে যে স্থানের অধিবাসী মৃত্যুর পূর্বে তাকে সে স্থানটিই দেখানো হয়।
.
আমি প্রচণ্ড আঘাত পেলাম।ভয়ে দেহ কাপতে লাগল। মনটা বিষণ্ন হয়ে উঠল। এমন একজন মানুষকে আমাকে দেখানো হলো যে কি না জাহান্নামে যাচ্ছে।আমাদেরকে জানিয়ে। এর চেয়ে দুঃখের ও আক্ষেপের বিষয় আর কী হতে পারে!
.
আমি সবিনয়ে তার বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম,আচ্ছা
ভাই! সে কী এমন করতো যে জন্য আজ তার এমন ভয়াবহ পরিণতি হলো?
.
মেয়েটির বাবা ডুকরে কেদে উঠলেন। বললেন,হুজুর!আমার মেয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিত, সবসময় কানে এয়ারফোন দিয়ে গানশুনতো। আমোদ ফুর্তি থাকতে ভালবাসতেন . কোন এবাদতই করতো না। কাউকে সে মানতেন না, তার মতো চলতে ভালবাসত , নামাজ- রোজার প্রতি তার ছিল প্রচণ্ড অনিহা।
.
বৃদ্ধ ইমাম সাহেব বলেন-বুঝতে পারলাম গুনাহ ও পাপের প্রতি নির্ভিক আসক্তি ও এবাদতের প্রতি অবহেলা প্রদর্শনের
কারণেই মৃত্যুর সময় কালিমা পড়ে দেয়ার পরও
মেয়েটি কালিমা পড়তে পারছিল না। তার বুক
সংকীর্ণ হয়ে ভেঙ্গে আসছিল।
.
একটা ছেলে আর একটা মেয়ে কখনো ভালো বন্ধু হতে পারে না, কারণ সেখানে অনুভূতির জন্ম নেয়, স্পৃহা লুকিয়ে থাকে, মিসিং হয়, ভাললাগা কাজ করে. আর যাদের গান শুনার শখ আছে তাদের কাছে অনুরোধ
গান শুনা থেকে বিরত থাকুন।সেই সময় হেডফোন দিয়ে কোরআনের তেলওয়াত শুনুন।হামদ,নাতে রাসুল (সঃ) শুনুন।বড় বড় আলেম ওলামাদের ওয়াজ,লেকচার শুনুন,ইসলামিক কালচার নিজের দায়িত্ব কর্তব্য গুলো শুনুন, যা নিজের জীবনের জন্য পথেয় হয়ে থাকবে।বা মোবাইলে কোরআন, হাদিসের এপস নিয়ে পড়ুন।
আল্লাহ্ আমাদেরকে সঠিক পথে চলার বুঝ ও
তৌপিক দান করেন।
আমিন
collected

সহজ এফিলিয়েট

ঘরে বসে সহজ আয়

ফেসবুক চালাতে পারলেই আয় করতে পারবেন

এখনি শুরু করুন